ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

গাজা পুনর্গঠনে মিসরের নতুন উদ্যোগ, ট্রাম্পের বিতর্কিত পরিকল্পনার পাল্টা কৌশল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 347

ছবি: সংগৃহীত

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা ফাঁকা করে ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র সরিয়ে দখলের পরিকল্পনার বিপরীতে নতুন কৌশল নিচ্ছে মিসর। ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ না করেই গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে দেশটি। মিসরের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল আহরাম-এর বরাতে আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

মিসরের পরিকল্পনায় গাজায় একটি নিরাপদ এলাকা তৈরি করার কথা বলা হয়েছে, যেখানে সাময়িকভাবে ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় গাজার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের কাজ চালানো হবে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্প-স্টারমারের প্রথম ফোনালাপ: মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে মিসরীয় কর্মকর্তারা ইউরোপীয় কূটনীতিকদের পাশাপাশি সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তবে এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন দুই মিসরীয় কর্মকর্তা, একাধিক আরব ও পশ্চিমা কূটনীতিক।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গাজা থেকে ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনিকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার একটি বিতর্কিত প্রস্তাব দেন। এই প্রস্তাব বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি অন্যায় সিদ্ধান্ত হিসেবে সমালোচিত হয়।

এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও সংঘাত থামেনি। জানুয়ারির ১৯ তারিখ যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ২৬৬ বার তা লঙ্ঘনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এতে ১৩২ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৯০০-র বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে মধ্য গাজায়, যেখানে অন্তত ১১০ বার সংঘর্ষ হয়েছে। এছাড়া, রাফায় ৫৪ বার, গাজা সিটিতে ৪৯ বার, খান ইউনিসে ১৯ বার এবং উত্তর গাজায় ১৩ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মিসরের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে গাজার মানবিক সংকট কিছুটা লাঘব হতে পারে। তবে এটি রাজনৈতিকভাবে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজা পুনর্গঠনে মিসরের নতুন উদ্যোগ, ট্রাম্পের বিতর্কিত পরিকল্পনার পাল্টা কৌশল

আপডেট সময় ১০:৩৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা ফাঁকা করে ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র সরিয়ে দখলের পরিকল্পনার বিপরীতে নতুন কৌশল নিচ্ছে মিসর। ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ না করেই গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে দেশটি। মিসরের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল আহরাম-এর বরাতে আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

মিসরের পরিকল্পনায় গাজায় একটি নিরাপদ এলাকা তৈরি করার কথা বলা হয়েছে, যেখানে সাময়িকভাবে ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় গাজার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের কাজ চালানো হবে।

আরও পড়ুন  মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেই ‘যুদ্ধবিরতির দাবি’ ট্রাম্পের

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে মিসরীয় কর্মকর্তারা ইউরোপীয় কূটনীতিকদের পাশাপাশি সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তবে এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন দুই মিসরীয় কর্মকর্তা, একাধিক আরব ও পশ্চিমা কূটনীতিক।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গাজা থেকে ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনিকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার একটি বিতর্কিত প্রস্তাব দেন। এই প্রস্তাব বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি অন্যায় সিদ্ধান্ত হিসেবে সমালোচিত হয়।

এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও সংঘাত থামেনি। জানুয়ারির ১৯ তারিখ যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ২৬৬ বার তা লঙ্ঘনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এতে ১৩২ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৯০০-র বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে মধ্য গাজায়, যেখানে অন্তত ১১০ বার সংঘর্ষ হয়েছে। এছাড়া, রাফায় ৫৪ বার, গাজা সিটিতে ৪৯ বার, খান ইউনিসে ১৯ বার এবং উত্তর গাজায় ১৩ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মিসরের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে গাজার মানবিক সংকট কিছুটা লাঘব হতে পারে। তবে এটি রাজনৈতিকভাবে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।