ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কানাডা: বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড ও উন্নত জীবনের দেশ বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজ বাতিল: সূচি থেকে বাদ পড়ল টাইগারদের সফর ‘আমি এই কাজ করিনি’ হাদি হত্যা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ফয়সাল ইরান চালু করেছে সর্বোচ্চ মূল্যমানের ১০ মিলিয়ন রিয়াল নোট ঈদের আনন্দে বিষাদের ছায়া: সড়ক ও নদে প্রাণ গেল ২২ জনের যুদ্ধের ধাক্কায় এয়ারলাইন্স খাতে ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫

ইরানের তেল রপ্তানি কমিয়ে ১০%–এর নিচে নামানোর পরিকল্পনা: ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন কৌশল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 198

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি আরও সীমিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের তেল বাণিজ্যে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে রপ্তানির পরিমাণ ১০ শতাংশের নিচে নামাতে চায়। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ১৪ ফেব্রুয়ারি ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন।

বেসেন্ট জানান, বর্তমানে ইরান প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৬ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে, যা কমিয়ে ১ লাখ ব্যারেলে নামানোর পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ সালে ইরানের তেল রপ্তানি ৩০ লাখ ব্যারেল থেকে ২০১৯ সালে ৪ লাখ ব্যারেলে নেমে আসে।

আরও পড়ুন  ‘চুক্তি চাইলে ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি বাতিল করতেই হবে’: যুক্তরাষ্ট্র 

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে পরমাণু প্রযুক্তির উন্নয়ন থেকে বিরত রাখতে একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বেসেন্ট বিশ্বাস করেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরানকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করা হলে তারা গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে, কারণ ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে না পারলেও চীনের মতো দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করলে কিছুটা সফল হতে পারে। যদিও ইরান এ বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বান আরাগচি বলেন, ‘ট্রাম্পের চাপের নীতির অধীনে কোনো আলোচনা হতে পারে না, কারণ এটি আত্মসমর্পণ ছাড়া কিছু নয়।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, ওপেকের স্বেচ্ছায় উৎপাদন কমানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থেকে খুব বেশি প্রভাবিত হবে না, এবং বাজারে সরিয়ে নেওয়া তেলের সংরক্ষণের পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের তেল রপ্তানি কমিয়ে ১০%–এর নিচে নামানোর পরিকল্পনা: ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন কৌশল

আপডেট সময় ১২:৪৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি আরও সীমিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের তেল বাণিজ্যে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে রপ্তানির পরিমাণ ১০ শতাংশের নিচে নামাতে চায়। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ১৪ ফেব্রুয়ারি ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন।

বেসেন্ট জানান, বর্তমানে ইরান প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৬ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে, যা কমিয়ে ১ লাখ ব্যারেলে নামানোর পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ সালে ইরানের তেল রপ্তানি ৩০ লাখ ব্যারেল থেকে ২০১৯ সালে ৪ লাখ ব্যারেলে নেমে আসে।

আরও পড়ুন  আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় আলোচনা

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে পরমাণু প্রযুক্তির উন্নয়ন থেকে বিরত রাখতে একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বেসেন্ট বিশ্বাস করেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরানকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করা হলে তারা গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে, কারণ ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে না পারলেও চীনের মতো দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করলে কিছুটা সফল হতে পারে। যদিও ইরান এ বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বান আরাগচি বলেন, ‘ট্রাম্পের চাপের নীতির অধীনে কোনো আলোচনা হতে পারে না, কারণ এটি আত্মসমর্পণ ছাড়া কিছু নয়।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, ওপেকের স্বেচ্ছায় উৎপাদন কমানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থেকে খুব বেশি প্রভাবিত হবে না, এবং বাজারে সরিয়ে নেওয়া তেলের সংরক্ষণের পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে।