ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

ইরানের তেল রপ্তানি কমিয়ে ১০%–এর নিচে নামানোর পরিকল্পনা: ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন কৌশল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 405

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি আরও সীমিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের তেল বাণিজ্যে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে রপ্তানির পরিমাণ ১০ শতাংশের নিচে নামাতে চায়। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ১৪ ফেব্রুয়ারি ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন।

বেসেন্ট জানান, বর্তমানে ইরান প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৬ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে, যা কমিয়ে ১ লাখ ব্যারেলে নামানোর পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ সালে ইরানের তেল রপ্তানি ৩০ লাখ ব্যারেল থেকে ২০১৯ সালে ৪ লাখ ব্যারেলে নেমে আসে।

আরও পড়ুন  ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে হত্যার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের: মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে পরমাণু প্রযুক্তির উন্নয়ন থেকে বিরত রাখতে একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বেসেন্ট বিশ্বাস করেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরানকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করা হলে তারা গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে, কারণ ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে না পারলেও চীনের মতো দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করলে কিছুটা সফল হতে পারে। যদিও ইরান এ বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বান আরাগচি বলেন, ‘ট্রাম্পের চাপের নীতির অধীনে কোনো আলোচনা হতে পারে না, কারণ এটি আত্মসমর্পণ ছাড়া কিছু নয়।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, ওপেকের স্বেচ্ছায় উৎপাদন কমানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থেকে খুব বেশি প্রভাবিত হবে না, এবং বাজারে সরিয়ে নেওয়া তেলের সংরক্ষণের পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের তেল রপ্তানি কমিয়ে ১০%–এর নিচে নামানোর পরিকল্পনা: ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন কৌশল

আপডেট সময় ১২:৪৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি আরও সীমিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের তেল বাণিজ্যে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে রপ্তানির পরিমাণ ১০ শতাংশের নিচে নামাতে চায়। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ১৪ ফেব্রুয়ারি ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন।

বেসেন্ট জানান, বর্তমানে ইরান প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৬ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে, যা কমিয়ে ১ লাখ ব্যারেলে নামানোর পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ সালে ইরানের তেল রপ্তানি ৩০ লাখ ব্যারেল থেকে ২০১৯ সালে ৪ লাখ ব্যারেলে নেমে আসে।

আরও পড়ুন  চলতি সপ্তাহেই হতে আরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি! আশা জাগাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র 

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে পরমাণু প্রযুক্তির উন্নয়ন থেকে বিরত রাখতে একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বেসেন্ট বিশ্বাস করেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরানকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করা হলে তারা গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে, কারণ ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে না পারলেও চীনের মতো দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করলে কিছুটা সফল হতে পারে। যদিও ইরান এ বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বান আরাগচি বলেন, ‘ট্রাম্পের চাপের নীতির অধীনে কোনো আলোচনা হতে পারে না, কারণ এটি আত্মসমর্পণ ছাড়া কিছু নয়।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, ওপেকের স্বেচ্ছায় উৎপাদন কমানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থেকে খুব বেশি প্রভাবিত হবে না, এবং বাজারে সরিয়ে নেওয়া তেলের সংরক্ষণের পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে।