ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ডনের জামিন নামঞ্জুর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • / 21

ছবি: সংগৃহীত

 

সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  সুপ্রিম কোর্টে জামিন পেলেন ইমরান খান, তবে থাকছেন কারাগারেই

এদিন ডনের পক্ষে আইনজীবী এম ফরিদুল ইসলাম, তারিকুল ইসলাম জুয়েলসহ কয়েকজন জামিনের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ডনের বিরুদ্ধে এজাহার ও গ্রেপ্তারি ফরোয়ার্ডিংয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই এবং তিনি কথিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে ৯ আগস্ট ডনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান। আবেদনে বলা হয়, ওইদিন ভোর ৫টার দিকে বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এ মামলায় পলাতক ছিলেন।

সিআইডির আবেদনে আরও বলা হয়, ডনকে পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলমান। তিনি জামিনে মুক্তি পেলে মামলার তদন্তে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং ফের পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ওমরা পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে সিআইডির হেফাজতে দেওয়া হয়।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। তার মৃত্যুর ঘটনায় ওই সময় অপমৃত্যুর মামলা করেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরের বছর ২৪ জুলাই তিনি ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন। একই সঙ্গে অপমৃত্যুর মামলা ও হত্যার অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেন।

তবে সিআইডির ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা করেন। সবশেষ গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে মোহাম্মদ আলমগীর অভিযোগ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।

কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে সালমানের কিছু হয়েছে বলে জানান। এরপর তারা দ্রুত বাসায় ফিরে সালমানকে শয়নকক্ষে নিথর অবস্থায় দেখতে পান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন এবং পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসেছিলেন বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, সালমানের মা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। পরে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালমান শাহকে মৃত ঘোষণা করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বাদী আরও উল্লেখ করেন, সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। এতে রমনা থানার অপমৃত্যুর মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানানো হয়।

সালমান শাহর বাবার মৃত্যুর পর তার বোনের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মারা গিয়ে থাকলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে গত ২০ মে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ২৪ মে মরদেহ উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বাদীপক্ষ লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করলে আদালত সেটি নথিভুক্ত করেন।

পরবর্তীতে গত ২২ জুন দেহাবশেষ উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি আদালতে দাখিল করা হলে তা নথিভুক্ত করা হয়।

মামলাটিতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট দিন ধার্য রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ডনের জামিন নামঞ্জুর

আপডেট সময় ০৩:৫১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

 

সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  জামিনে মুক্তি পেলেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া

এদিন ডনের পক্ষে আইনজীবী এম ফরিদুল ইসলাম, তারিকুল ইসলাম জুয়েলসহ কয়েকজন জামিনের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ডনের বিরুদ্ধে এজাহার ও গ্রেপ্তারি ফরোয়ার্ডিংয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই এবং তিনি কথিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে ৯ আগস্ট ডনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান। আবেদনে বলা হয়, ওইদিন ভোর ৫টার দিকে বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এ মামলায় পলাতক ছিলেন।

সিআইডির আবেদনে আরও বলা হয়, ডনকে পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলমান। তিনি জামিনে মুক্তি পেলে মামলার তদন্তে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং ফের পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ওমরা পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে সিআইডির হেফাজতে দেওয়া হয়।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। তার মৃত্যুর ঘটনায় ওই সময় অপমৃত্যুর মামলা করেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরের বছর ২৪ জুলাই তিনি ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন। একই সঙ্গে অপমৃত্যুর মামলা ও হত্যার অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেন।

তবে সিআইডির ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা করেন। সবশেষ গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে মোহাম্মদ আলমগীর অভিযোগ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন।

কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে সালমানের কিছু হয়েছে বলে জানান। এরপর তারা দ্রুত বাসায় ফিরে সালমানকে শয়নকক্ষে নিথর অবস্থায় দেখতে পান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন এবং পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসেছিলেন বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, সালমানের মা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। পরে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালমান শাহকে মৃত ঘোষণা করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বাদী আরও উল্লেখ করেন, সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। এতে রমনা থানার অপমৃত্যুর মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানানো হয়।

সালমান শাহর বাবার মৃত্যুর পর তার বোনের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মারা গিয়ে থাকলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে গত ২০ মে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ২৪ মে মরদেহ উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বাদীপক্ষ লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করলে আদালত সেটি নথিভুক্ত করেন।

পরবর্তীতে গত ২২ জুন দেহাবশেষ উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি আদালতে দাখিল করা হলে তা নথিভুক্ত করা হয়।

মামলাটিতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট দিন ধার্য রয়েছে।