ঢাকা ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চু*রির মা*ম*লায় তদন্ত প্রতিবেদন ৯৭ বার পেছাল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 50

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও বাড়ানো হয়েছে। প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ৯৭ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় নিল।

রোববার, ৯ আগস্ট মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে সিআইডি প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে থাকা অর্থের একটি অংশ হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে চুরি হয়। সুইফট কোড ব্যবহার করে মোট ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেওয়া হয়। পরে চুরি হওয়া অর্থের একটি অংশ ফিলিপাইনে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  ম্যারাডোনার মৃত্যুর পেছনে অবহেলা?: সাত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা ও বিচার শুরু

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ পাচার করে থাকতে পারে।

ঘটনার প্রায় এক মাস পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলাটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ৪ ধারাসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর ৫৪ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় করা হয়।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডি। তবে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় বারবার সময় বাড়ানো হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চু*রির মা*ম*লায় তদন্ত প্রতিবেদন ৯৭ বার পেছাল

আপডেট সময় ০৫:৪৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও বাড়ানো হয়েছে। প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ৯৭ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় নিল।

রোববার, ৯ আগস্ট মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে সিআইডি প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে থাকা অর্থের একটি অংশ হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে চুরি হয়। সুইফট কোড ব্যবহার করে মোট ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেওয়া হয়। পরে চুরি হওয়া অর্থের একটি অংশ ফিলিপাইনে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন  ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২৪ ঘণ্টায় ২৮১৩ মামলা

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ পাচার করে থাকতে পারে।

ঘটনার প্রায় এক মাস পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলাটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ৪ ধারাসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর ৫৪ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় করা হয়।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডি। তবে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় বারবার সময় বাড়ানো হচ্ছে।