ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নরওয়ে ম্যাচের বিতর্কিত গোল নিয়ে মুখ খুলল ফিফা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / 53

ছবি সংগৃহীত

 

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সমতাসূচক গোলকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। সংস্থাটি জানিয়েছে, গোলের আগে বল ক্যামেরার তারে স্পর্শ করেছিল—এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

রোববার (১২ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে জুড বেলিংহামের করা গোলের আগে বলের গতিপথ নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে তার সত্যতা মেলেনি।

আরও পড়ুন  নরওয়ের রাজা পঞ্চম হারাল্ডের মৃত্যুতে শোকবইয়ে স্বাক্ষর মন্ত্রীর

ম্যাচে বেলিংহামের গোলে ইংল্যান্ড ১-১ সমতা ফেরানোর পরপরই ফরাসি রেফারি ক্লেমো তুরপিনের কাছে আপত্তি জানান নরওয়ের খেলোয়াড়রা।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় নরওয়ের গোলরক্ষক ইয়র্ন নিল্যান্ডের নেওয়া একটি গোল-কিক থেকে। আক্রমণ গড়ে ওঠার সময় বলের গতিপথ হঠাৎ পরিবর্তিত হয়ে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনের কাছে পৌঁছে যায়। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ওঠে, বলটি হয়তো স্টেডিয়ামের ওপরের ক্যামেরার তারে লেগেছিল। এমনটি ঘটলে খেলা থামিয়ে ড্রপ বল দেওয়ার বিধান রয়েছে।

তবে ফিফা জানিয়েছে, ম্যাচে ব্যবহৃত ‘কানেক্টেড বল’-এর অভ্যন্তরে থাকা সেন্সরের তথ্য বিশ্লেষণে বলের সঙ্গে কোনো বাহ্যিক বস্তুর সংস্পর্শের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, ৪৫+২ মিনিটে ইংল্যান্ডের গোলের আগে বাতাসে থাকা অবস্থায় বলের সেন্সরের তথ্যে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা ‘হার্টবিট’ শনাক্ত হয়নি। ফলে বল ক্যামেরার তারে লেগে গতিপথ পরিবর্তন করেছে—এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রযুক্তিগত প্রমাণ নেই।

ফিফা আরও জানায়, এর আগেও টুর্নামেন্টে পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়ার নকআউট ম্যাচে একটি গোল বাতিলের সিদ্ধান্তে একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

নরওয়ে ম্যাচের বিতর্কিত গোল নিয়ে মুখ খুলল ফিফা

আপডেট সময় ১২:২৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

 

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সমতাসূচক গোলকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। সংস্থাটি জানিয়েছে, গোলের আগে বল ক্যামেরার তারে স্পর্শ করেছিল—এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

রোববার (১২ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে জুড বেলিংহামের করা গোলের আগে বলের গতিপথ নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে তার সত্যতা মেলেনি।

আরও পড়ুন  নরওয়ের রাজা পঞ্চম হারাল্ডের মৃত্যুতে শোকবইয়ে স্বাক্ষর মন্ত্রীর

ম্যাচে বেলিংহামের গোলে ইংল্যান্ড ১-১ সমতা ফেরানোর পরপরই ফরাসি রেফারি ক্লেমো তুরপিনের কাছে আপত্তি জানান নরওয়ের খেলোয়াড়রা।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় নরওয়ের গোলরক্ষক ইয়র্ন নিল্যান্ডের নেওয়া একটি গোল-কিক থেকে। আক্রমণ গড়ে ওঠার সময় বলের গতিপথ হঠাৎ পরিবর্তিত হয়ে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনের কাছে পৌঁছে যায়। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ওঠে, বলটি হয়তো স্টেডিয়ামের ওপরের ক্যামেরার তারে লেগেছিল। এমনটি ঘটলে খেলা থামিয়ে ড্রপ বল দেওয়ার বিধান রয়েছে।

তবে ফিফা জানিয়েছে, ম্যাচে ব্যবহৃত ‘কানেক্টেড বল’-এর অভ্যন্তরে থাকা সেন্সরের তথ্য বিশ্লেষণে বলের সঙ্গে কোনো বাহ্যিক বস্তুর সংস্পর্শের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, ৪৫+২ মিনিটে ইংল্যান্ডের গোলের আগে বাতাসে থাকা অবস্থায় বলের সেন্সরের তথ্যে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা ‘হার্টবিট’ শনাক্ত হয়নি। ফলে বল ক্যামেরার তারে লেগে গতিপথ পরিবর্তন করেছে—এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রযুক্তিগত প্রমাণ নেই।

ফিফা আরও জানায়, এর আগেও টুর্নামেন্টে পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়ার নকআউট ম্যাচে একটি গোল বাতিলের সিদ্ধান্তে একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল।