ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

২০ মাস নিখোঁজ বেবিচকের সেই সহকারী পরিচালক বরখাস্ত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / 94

ছবি সংগৃহীত

 

মাত্র ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে দীর্ঘ ২০ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক (সিএনএস) মো. আরিফ-উর-রহমানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

দফায় দফায় বিচিত্র অজুহাত ও কৌশলের আশ্রয় নিয়ে কর্মস্থলে না ফিরে তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ সময় অনুমতিহীন অনুপস্থিতি ও অসদাচরণের অভিযোগ বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে এই চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে টিকা কমিটির সব সদস্যকে বরখাস্ত করলেন মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বেবিচক সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট স্ত্রীর উচ্চশিক্ষায় সহায়তার কথা বলে ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান আরিফ-উর-রহমান।

তবে ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি সেখান থেকে আরও সাড়ে তিন মাস সময় বৃদ্ধির আবেদন করেন। কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দিলেও তিনি তা অমান্য করেন। এরপর গত দেড় বছরে তিনি কখনও সন্তানের চিকিৎসা, কখনও শিক্ষা ছুটির দোহাই দিয়ে একের পর এক অসামঞ্জস্যপূর্ণ আবেদন পাঠিয়ে সময়ক্ষেপণ করেন।

বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে বারবার কাজে ফেরার সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। বরং পলাতক থেকে সরাসরি বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনীত ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, বিভিন্ন সময়ে তার দেওয়া আবেদন ও অবস্থান ছিল অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং তিনি চাকরিতে ফেরার বিষয়ে মোটেও আন্তরিক ছিলেন না।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বেবিচক জানতে পেরেছে, বরখাস্ত হওয়া এই কর্মকর্তা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানায় অবস্থান করছেন। তদন্তের পুরো সময় জুড়ে তিনি চরম অসহযোগিতা করেছেন এবং দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করার নিয়ম থাকলেও তা মানেননি। সব দিক বিবেচনা করে এবং সংস্থার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গত ২ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

২০ মাস নিখোঁজ বেবিচকের সেই সহকারী পরিচালক বরখাস্ত

আপডেট সময় ১০:১১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

 

মাত্র ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে দীর্ঘ ২০ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক (সিএনএস) মো. আরিফ-উর-রহমানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

দফায় দফায় বিচিত্র অজুহাত ও কৌশলের আশ্রয় নিয়ে কর্মস্থলে না ফিরে তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ সময় অনুমতিহীন অনুপস্থিতি ও অসদাচরণের অভিযোগ বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে এই চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মো. জাকির হোসেন বরখাস্ত

বেবিচক সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট স্ত্রীর উচ্চশিক্ষায় সহায়তার কথা বলে ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান আরিফ-উর-রহমান।

তবে ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি সেখান থেকে আরও সাড়ে তিন মাস সময় বৃদ্ধির আবেদন করেন। কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দিলেও তিনি তা অমান্য করেন। এরপর গত দেড় বছরে তিনি কখনও সন্তানের চিকিৎসা, কখনও শিক্ষা ছুটির দোহাই দিয়ে একের পর এক অসামঞ্জস্যপূর্ণ আবেদন পাঠিয়ে সময়ক্ষেপণ করেন।

বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে বারবার কাজে ফেরার সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। বরং পলাতক থেকে সরাসরি বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনীত ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, বিভিন্ন সময়ে তার দেওয়া আবেদন ও অবস্থান ছিল অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং তিনি চাকরিতে ফেরার বিষয়ে মোটেও আন্তরিক ছিলেন না।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বেবিচক জানতে পেরেছে, বরখাস্ত হওয়া এই কর্মকর্তা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানায় অবস্থান করছেন। তদন্তের পুরো সময় জুড়ে তিনি চরম অসহযোগিতা করেছেন এবং দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করার নিয়ম থাকলেও তা মানেননি। সব দিক বিবেচনা করে এবং সংস্থার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গত ২ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়।