ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
‘আপনি দয়া করে সাবধান থাকবেন’, তারেক রহমানকে মির্জা আব্বাস স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৬ ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস, পেন্টাগনে ৫০ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা ‘মায়ের মূর্ত প্রতীক’ খালেদা জিয়া: ভূমিমন্ত্রী কবর থেকে মরদেহ তুলে অন্যত্র দাফন, শামীমের মরদেহ দাফন হলো তিনবার কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা পাঁয়তারা চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সিডনিতে শাবনূর-তাসকিনের জমজমাট বারবিকিউ আড্ডা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ; মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ইসমাইল রংপুর মেডিকেলে এক মাসে কাটবে আইসিইউ সংকট: ত্রাণমন্ত্রী নৌকা থেকে পড়া ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবার মৃত্যু

সুপ্রিম কোর্টে চালু হচ্ছে নৈশকালীন ডাকঘর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 127

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাব-পোস্ট অফিসের পাশাপাশি এখন থেকে নৈশকালীন ডাকঘর বা দ্বিতীয় শিফটে ডাকসেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডাক অধিদপ্তর। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে উচ্চ আদালতের জরুরি আইনি চিঠিপত্র এবং জামিনের আদেশ দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের দীর্ঘদিনের একটি প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে।

ডাক অধিদপ্তর থেকে জারি করা পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, জনসাধারণের সুবিধার্থে এবং সরকারি কাজের গতিশীলতা রক্ষায় হাইকোর্ট উপ-ডাকঘরের গ্রাহকদের চাহিদার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পোস্টমাস্টার জেনারেলকে (মেট্রোপলিটন সার্কেল, ঢাকা) এই দ্বিতীয় শিফট চালু করার এবং পরবর্তী তিন মাসের সেবার মান ও কার্যকারিতা সম্বলিত প্রতিবেদন অধিদপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  অবকাশ শেষে রোববার থেকে বিচারিক কার্যক্রমে ফিরছে সুপ্রিম কোর্ট

এই উদ্যোগের নেপথ্যে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড এস এম আরিফ মন্ডলের একটি আবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদনে উল্লেখ করেছিলেন যে, উচ্চ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ আদেশ ও জরুরি চিঠিপত্র দ্রুত আদান-প্রদানের জন্য আদালত প্রাঙ্গণে সান্ধ্যকালীন ডাকসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

নতুন এই ব্যবস্থার ফলে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের ডাকঘরে প্রতি কার্যদিবসে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত গ্রাহকসেবা গ্রহণ করা যাবে। এর ফলে ফৌজদারি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত জামিনের আদেশগুলো দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট জেলা জজ আদালত ও জেলখানায় পৌঁছানো সম্ভব হবে। যদিও বর্তমানে অনলাইনে জামিনের আদেশ পাঠানো হয়, তবুও দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় ডাকযোগের মূল কপির গুরুত্ব অপরিসীম। দ্রুত ডাকসেবা নিশ্চিত হওয়ায় প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে একজন বিচারপ্রার্থী দ্রুত জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, অনেক সময় দিনের নির্ধারিত সময়ের পর জরুরি নথিপত্র পাঠানোর প্রয়োজন পড়ে। নৈশকালীন ডাকঘর চালু হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে এবং বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সুপ্রিম কোর্টে চালু হচ্ছে নৈশকালীন ডাকঘর

আপডেট সময় ০৪:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাব-পোস্ট অফিসের পাশাপাশি এখন থেকে নৈশকালীন ডাকঘর বা দ্বিতীয় শিফটে ডাকসেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডাক অধিদপ্তর। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে উচ্চ আদালতের জরুরি আইনি চিঠিপত্র এবং জামিনের আদেশ দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের দীর্ঘদিনের একটি প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে।

ডাক অধিদপ্তর থেকে জারি করা পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, জনসাধারণের সুবিধার্থে এবং সরকারি কাজের গতিশীলতা রক্ষায় হাইকোর্ট উপ-ডাকঘরের গ্রাহকদের চাহিদার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পোস্টমাস্টার জেনারেলকে (মেট্রোপলিটন সার্কেল, ঢাকা) এই দ্বিতীয় শিফট চালু করার এবং পরবর্তী তিন মাসের সেবার মান ও কার্যকারিতা সম্বলিত প্রতিবেদন অধিদপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু; লড়াইয়ে ৩ প্যানেল

এই উদ্যোগের নেপথ্যে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড এস এম আরিফ মন্ডলের একটি আবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদনে উল্লেখ করেছিলেন যে, উচ্চ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ আদেশ ও জরুরি চিঠিপত্র দ্রুত আদান-প্রদানের জন্য আদালত প্রাঙ্গণে সান্ধ্যকালীন ডাকসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

নতুন এই ব্যবস্থার ফলে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের ডাকঘরে প্রতি কার্যদিবসে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত গ্রাহকসেবা গ্রহণ করা যাবে। এর ফলে ফৌজদারি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত জামিনের আদেশগুলো দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট জেলা জজ আদালত ও জেলখানায় পৌঁছানো সম্ভব হবে। যদিও বর্তমানে অনলাইনে জামিনের আদেশ পাঠানো হয়, তবুও দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় ডাকযোগের মূল কপির গুরুত্ব অপরিসীম। দ্রুত ডাকসেবা নিশ্চিত হওয়ায় প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে একজন বিচারপ্রার্থী দ্রুত জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, অনেক সময় দিনের নির্ধারিত সময়ের পর জরুরি নথিপত্র পাঠানোর প্রয়োজন পড়ে। নৈশকালীন ডাকঘর চালু হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে এবং বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে।