ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে শত বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের প্রতিকৃতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির রেকর্ড স্মৃতি মন্ধানার কিংবদন্তি গাজী মাজহারুলের প্রয়াণ দিবস আজ নেপালে বন্যার ৯ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে জীবিত উদ্ধার ২ নাইজেরিয়ায় তেল চুরির ভয়াবহ পরিণতি, নিহত ৪৩

৯ ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানোর নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 138

ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সরকারি ব্যয়ে কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে পরিচালন ব্যয় কমাতে ৯টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে খরচ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী নির্দেশিত ৯টি ক্ষেত্র হলো:
১. জ্বালানি সাশ্রয়:** সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দকৃত জ্বালানির ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

২. বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও ঋণ স্থগিত: সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন  আসন্ন রমজান মাসে ৫০ লাখ পরিবারকে ৩০ টাকা কেজিতে চাল দেবে সরকার: খাদ্য উপদেষ্টা

৩. অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয়: প্রশিক্ষণ খাত ছাড়া অন্যান্য অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৪. আপ্যায়ন ও সেমিনার: সভা/সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ এবং সেমিনার/কনফারেন্স আয়োজন ব্যয় ২০ শতাংশ কমাতে হবে।

৫. ভ্রমণ ব্যয়: সরকারি কাজে ভ্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৬. সরঞ্জাম ক্রয় বন্ধ: সরকারি খাতে নতুন গাড়ি, জলযান, আকাশযান এবং কম্পিউটার ক্রয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ থাকবে।

৭. বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয়: সরকারি কার্যালয়গুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৮. ভবন শোভাবর্ধন: আবাসিক ভবনের শোভাবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৯. ভূমি অধিগ্রহণ স্থগিত: সরকারি প্রকল্পের জন্য নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত ব্যয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ রাখতে হবে।

পরিপত্রে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তসমূহ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতেই সরকার এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

৯ ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানোর নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি

আপডেট সময় ০৩:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সরকারি ব্যয়ে কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে পরিচালন ব্যয় কমাতে ৯টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে খরচ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী নির্দেশিত ৯টি ক্ষেত্র হলো:
১. জ্বালানি সাশ্রয়:** সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দকৃত জ্বালানির ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

২. বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও ঋণ স্থগিত: সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন  নতুন নোট আসছে বাজারে, সমাধান মিলছে ছেঁড়া টাকার ঝামেলায়

৩. অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয়: প্রশিক্ষণ খাত ছাড়া অন্যান্য অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৪. আপ্যায়ন ও সেমিনার: সভা/সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ এবং সেমিনার/কনফারেন্স আয়োজন ব্যয় ২০ শতাংশ কমাতে হবে।

৫. ভ্রমণ ব্যয়: সরকারি কাজে ভ্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৬. সরঞ্জাম ক্রয় বন্ধ: সরকারি খাতে নতুন গাড়ি, জলযান, আকাশযান এবং কম্পিউটার ক্রয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ থাকবে।

৭. বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয়: সরকারি কার্যালয়গুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৮. ভবন শোভাবর্ধন: আবাসিক ভবনের শোভাবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৯. ভূমি অধিগ্রহণ স্থগিত: সরকারি প্রকল্পের জন্য নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত ব্যয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ রাখতে হবে।

পরিপত্রে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তসমূহ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতেই সরকার এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করেছে।