ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

৯ ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানোর নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 121

ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সরকারি ব্যয়ে কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে পরিচালন ব্যয় কমাতে ৯টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে খরচ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী নির্দেশিত ৯টি ক্ষেত্র হলো:
১. জ্বালানি সাশ্রয়:** সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দকৃত জ্বালানির ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

২. বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও ঋণ স্থগিত: সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন  পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন রেলওয়ে’ বাস্তবায়নে ৯৩ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

৩. অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয়: প্রশিক্ষণ খাত ছাড়া অন্যান্য অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৪. আপ্যায়ন ও সেমিনার: সভা/সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ এবং সেমিনার/কনফারেন্স আয়োজন ব্যয় ২০ শতাংশ কমাতে হবে।

৫. ভ্রমণ ব্যয়: সরকারি কাজে ভ্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৬. সরঞ্জাম ক্রয় বন্ধ: সরকারি খাতে নতুন গাড়ি, জলযান, আকাশযান এবং কম্পিউটার ক্রয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ থাকবে।

৭. বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয়: সরকারি কার্যালয়গুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৮. ভবন শোভাবর্ধন: আবাসিক ভবনের শোভাবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৯. ভূমি অধিগ্রহণ স্থগিত: সরকারি প্রকল্পের জন্য নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত ব্যয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ রাখতে হবে।

পরিপত্রে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তসমূহ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতেই সরকার এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

৯ ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানোর নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি

আপডেট সময় ০৩:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সরকারি ব্যয়ে কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে পরিচালন ব্যয় কমাতে ৯টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে খরচ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী নির্দেশিত ৯টি ক্ষেত্র হলো:
১. জ্বালানি সাশ্রয়:** সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দকৃত জ্বালানির ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

২. বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও ঋণ স্থগিত: সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের প্রথম ২৮ দিনে

৩. অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয়: প্রশিক্ষণ খাত ছাড়া অন্যান্য অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৪. আপ্যায়ন ও সেমিনার: সভা/সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ এবং সেমিনার/কনফারেন্স আয়োজন ব্যয় ২০ শতাংশ কমাতে হবে।

৫. ভ্রমণ ব্যয়: সরকারি কাজে ভ্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৬. সরঞ্জাম ক্রয় বন্ধ: সরকারি খাতে নতুন গাড়ি, জলযান, আকাশযান এবং কম্পিউটার ক্রয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ থাকবে।

৭. বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয়: সরকারি কার্যালয়গুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৮. ভবন শোভাবর্ধন: আবাসিক ভবনের শোভাবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৯. ভূমি অধিগ্রহণ স্থগিত: সরকারি প্রকল্পের জন্য নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত ব্যয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ রাখতে হবে।

পরিপত্রে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তসমূহ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতেই সরকার এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করেছে।