ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / 198

ছবি সংগৃহীত

 

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আবেদন জমা পড়ার প্রেক্ষিতে এই পদত্যাগের ঘটনা ঘটল।

শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক বিচারপতির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেন। আবেদনে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয় যে, ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার বিচারে বিচারপতি রেজাউল হাসান পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন।

আরও পড়ুন  আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবী হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্ত

মামলা দুটির বিবরণে বলা হয়েছে, একটি মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকা সত্ত্বেও রায়ে তার নাম ব্যবহার করে কাল্পনিক যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়। অন্য একটি মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষভুক্ত না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়।

আবেদনকারীর দাবি অনুযায়ী, এই ধরনের বিচারিক কর্মকাণ্ড ন্যায়ের নীতির পরিপন্থি এবং ক্ষমতার চরম অপব্যবহার। এই বিতর্কিত পরিস্থিতির মধ্যেই তিনি বিচারকের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

আপডেট সময় ১২:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

 

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আবেদন জমা পড়ার প্রেক্ষিতে এই পদত্যাগের ঘটনা ঘটল।

শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক বিচারপতির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেন। আবেদনে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয় যে, ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার বিচারে বিচারপতি রেজাউল হাসান পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন।

আরও পড়ুন  মানহানি মামলায় আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে মুফতি আমির হামজা

মামলা দুটির বিবরণে বলা হয়েছে, একটি মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকা সত্ত্বেও রায়ে তার নাম ব্যবহার করে কাল্পনিক যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়। অন্য একটি মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষভুক্ত না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়।

আবেদনকারীর দাবি অনুযায়ী, এই ধরনের বিচারিক কর্মকাণ্ড ন্যায়ের নীতির পরিপন্থি এবং ক্ষমতার চরম অপব্যবহার। এই বিতর্কিত পরিস্থিতির মধ্যেই তিনি বিচারকের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন।