ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুললো ভারত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / 81

ছবি সংগৃহীত

 

কিউইদের হারিয়ে দিয়ে ভারত প্রমাণ করল কেন তারা বর্তমান ক্রিকেটের পরাশক্তি। গত আসরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে, টানা দুবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মাধ্যমে ভারত সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে নিজেদের এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেল।

ভারতের আহমেদাবাদে আজ এক বিধ্বংসী মেজাজে দেখা গেল সূর্যকুমারের দলকে। ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য দেয় ভারত। এই বিশাল সংগ্রহই মূলত ভারতকে তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মুকুট এনে দিতে মূল ভূমিকা পালন করে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৭ রানে হারিয়েছে ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে সাঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা ও ইশান কিশানের ব্যাটিং তাণ্ডবে ৫ উইকেটে ২৫৬ রানের পাহাড় গড়ে টিম ইন্ডিয়া। জবাবে ২৫৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জসপ্রিত বুমরাহ ও অক্ষর প্যাটেলের বোলিং তোপে ১৯ ওভারে ১৫৯ রানেই গুটিয়ে যায় কিউইরা। ভারতের হয়ে বুমরাহ মাত্র ১৫ রানে ৪টি এবং অক্ষর ৩টি উইকেট শিকার করেন। আর নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রানের ইনিংসটি করেন টিম সেফার্ট।

ফাইনালের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে কিউই বোলারদের ওপর শুরু থেকেই চড়াও হন অভিষেক শর্মা। মাত্র ২১ বলে ৫২ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলে তিনি ভারতকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। এরপর তিন নম্বরে নেমে ২৫ বলে ৫৪ রানের মারকুটে ইনিংস খেলেন ইশান কিশান। তবে ইনিংসের শেষটা ছিল আরও নাটকীয়; মাত্র ৮ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন শিবম দুবে, যার মধ্যে শেষ ওভারেই আসে ২৪ রান।

তবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অদম্য হয়ে উঠেছিলেন সাঞ্জু স্যামসন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ৯৭* রানের ইনিংস খেলে দলকে সেমিফাইনালে তোলেন তিনি। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সেমিফাইনালে ৮৯ এবং আজ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৬ বলে আবারও ৮৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ভারতকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার এই ব্যাটার।

এই বিশ্বকাপ দিয়ে তৃতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত। ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এমএস ধোনির নেতৃত্বে পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ২০২৪ সালে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ভারত তাদের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জেতে। ২০২৬ সালে এসে ঘরের মাঠে (ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত) নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ভারত তাদের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শিরোপা ঘরে তোলে এবং ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে শিরোপা ধরে রাখার (ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন) রেকর্ড গড়ে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুললো ভারত

আপডেট সময় ১১:৫০:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

 

কিউইদের হারিয়ে দিয়ে ভারত প্রমাণ করল কেন তারা বর্তমান ক্রিকেটের পরাশক্তি। গত আসরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে, টানা দুবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মাধ্যমে ভারত সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে নিজেদের এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেল।

ভারতের আহমেদাবাদে আজ এক বিধ্বংসী মেজাজে দেখা গেল সূর্যকুমারের দলকে। ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য দেয় ভারত। এই বিশাল সংগ্রহই মূলত ভারতকে তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মুকুট এনে দিতে মূল ভূমিকা পালন করে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৭ রানে হারিয়েছে ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে সাঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা ও ইশান কিশানের ব্যাটিং তাণ্ডবে ৫ উইকেটে ২৫৬ রানের পাহাড় গড়ে টিম ইন্ডিয়া। জবাবে ২৫৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জসপ্রিত বুমরাহ ও অক্ষর প্যাটেলের বোলিং তোপে ১৯ ওভারে ১৫৯ রানেই গুটিয়ে যায় কিউইরা। ভারতের হয়ে বুমরাহ মাত্র ১৫ রানে ৪টি এবং অক্ষর ৩টি উইকেট শিকার করেন। আর নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রানের ইনিংসটি করেন টিম সেফার্ট।

ফাইনালের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে কিউই বোলারদের ওপর শুরু থেকেই চড়াও হন অভিষেক শর্মা। মাত্র ২১ বলে ৫২ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলে তিনি ভারতকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। এরপর তিন নম্বরে নেমে ২৫ বলে ৫৪ রানের মারকুটে ইনিংস খেলেন ইশান কিশান। তবে ইনিংসের শেষটা ছিল আরও নাটকীয়; মাত্র ৮ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন শিবম দুবে, যার মধ্যে শেষ ওভারেই আসে ২৪ রান।

তবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অদম্য হয়ে উঠেছিলেন সাঞ্জু স্যামসন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ৯৭* রানের ইনিংস খেলে দলকে সেমিফাইনালে তোলেন তিনি। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সেমিফাইনালে ৮৯ এবং আজ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৬ বলে আবারও ৮৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ভারতকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার এই ব্যাটার।

এই বিশ্বকাপ দিয়ে তৃতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত। ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এমএস ধোনির নেতৃত্বে পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ২০২৪ সালে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ভারত তাদের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জেতে। ২০২৬ সালে এসে ঘরের মাঠে (ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত) নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ভারত তাদের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শিরোপা ঘরে তোলে এবং ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে শিরোপা ধরে রাখার (ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন) রেকর্ড গড়ে।