ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

​রণকৌশল নাকি সমঝোতা? ইরানের জলসীমা থেকে সরে গেল মার্কিন নৌবহর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 375

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র তার নৌবাহিনীর আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে দক্ষিণ ইয়েমেনের জলসীমায় স্থানান্তর করেছে। ইরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএনএ-এর সামরিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রের মতে, বহরটিতে একাধিক ডেস্ট্রয়ার এবং একটি সহায়ক সাবমেরিন রয়েছে এবং বর্তমানে এটি ইয়েমেনের সোকোত্রা দ্বীপের পূর্বে এডেন উপসাগরের কাছে মোতায়েন।

এই অবস্থান ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর চাবাহার থেকে আনুমানিক ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দূরে, যা আগের তুলনায় ইরানের উপকূলীয় জলসীমা থেকে আরও বেশি দূরত্ব নির্দেশ করে।

আরও পড়ুন  ইসরাইল ইরানে হামলা চালিয়ে ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে : জাতিসংঘে চীন

ইরানি কর্মকর্তারা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তবে যুদ্ধজাহাজের অবস্থান পরিবর্তন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

এর মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বড় নৌবহর ইরানের দিকে যাচ্ছে। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের জাহাজ এখন ইরানের দিকে যাচ্ছে, বড় জাহাজ—সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী। পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে আলোচনাও চলছে। দেখা যাক বিষয়টি কীভাবে এগোয়।’ তিনি আরও জানান, ‘যদি আমরা কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারি, সেটা ভালো হবে। আর যদি না পারি, তাহলে সম্ভবত খারাপ কিছু ঘটবে।

এদিকে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে দেশটির সামরিক নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং তা এখন আরও ‘আক্রমণাত্মক’ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে অঞ্চলটির গুরুত্বপূর্ণ শক্তিগুলোর সামরিক গতিবিধি ও কৌশলগত বার্তা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

​রণকৌশল নাকি সমঝোতা? ইরানের জলসীমা থেকে সরে গেল মার্কিন নৌবহর

আপডেট সময় ০৯:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্র তার নৌবাহিনীর আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে দক্ষিণ ইয়েমেনের জলসীমায় স্থানান্তর করেছে। ইরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএনএ-এর সামরিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রের মতে, বহরটিতে একাধিক ডেস্ট্রয়ার এবং একটি সহায়ক সাবমেরিন রয়েছে এবং বর্তমানে এটি ইয়েমেনের সোকোত্রা দ্বীপের পূর্বে এডেন উপসাগরের কাছে মোতায়েন।

এই অবস্থান ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর চাবাহার থেকে আনুমানিক ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দূরে, যা আগের তুলনায় ইরানের উপকূলীয় জলসীমা থেকে আরও বেশি দূরত্ব নির্দেশ করে।

আরও পড়ুন  ইরান, চীন ও হংকংয়ের একাধিক ব্যক্তি ও সংস্থার ওপর পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

ইরানি কর্মকর্তারা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তবে যুদ্ধজাহাজের অবস্থান পরিবর্তন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

এর মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বড় নৌবহর ইরানের দিকে যাচ্ছে। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের জাহাজ এখন ইরানের দিকে যাচ্ছে, বড় জাহাজ—সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী। পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে আলোচনাও চলছে। দেখা যাক বিষয়টি কীভাবে এগোয়।’ তিনি আরও জানান, ‘যদি আমরা কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারি, সেটা ভালো হবে। আর যদি না পারি, তাহলে সম্ভবত খারাপ কিছু ঘটবে।

এদিকে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে দেশটির সামরিক নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং তা এখন আরও ‘আক্রমণাত্মক’ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে অঞ্চলটির গুরুত্বপূর্ণ শক্তিগুলোর সামরিক গতিবিধি ও কৌশলগত বার্তা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।