ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহায়তা চায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল জুলাই সনদের বাস্তবায়ন: ডেপুটি স্পিকার হচ্ছেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম সীতাকুণ্ডে ধর্ষণের শিকার সেই শিশুর মৃত্যু পাওনা টাকার বিরোধে চট্টগ্রামে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় বোন খুন

ঋণখেলাপি ইস্যুতে মান্নার রিট বাতিল, নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 213

ছবি: সংগৃহীত

 

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের নির্দেশনা চেয়ে করা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রার্থী হওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. বজলুর রহমান ও বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত: ইসি সচিব

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না আদালতে রিট করেছিলেন। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ না করায় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারালেন।

আদালতে মান্নার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। শুনানি শেষে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা থেকে মান্নার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে প্রায় ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ আদায়ের জন্য গত ১০ ডিসেম্বর ‘কলব্যাক নোটিশ’ পাঠানো হয়।
নোটিশটি পাঠানো হয় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানায়।

প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় মাহমুদুর রহমান মান্নার অংশ ৫০ শতাংশ, আর বাকি ৫০ শতাংশের মধ্যে ২৫ শতাংশ করে অংশীদার এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু।
ব্যাংকের নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঋণখেলাপি ইস্যুতে মান্নার রিট বাতিল, নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত

আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের নির্দেশনা চেয়ে করা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রার্থী হওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. বজলুর রহমান ও বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, কীভাবে হবে

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না আদালতে রিট করেছিলেন। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ না করায় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারালেন।

আদালতে মান্নার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। শুনানি শেষে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা থেকে মান্নার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে প্রায় ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ আদায়ের জন্য গত ১০ ডিসেম্বর ‘কলব্যাক নোটিশ’ পাঠানো হয়।
নোটিশটি পাঠানো হয় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানায়।

প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় মাহমুদুর রহমান মান্নার অংশ ৫০ শতাংশ, আর বাকি ৫০ শতাংশের মধ্যে ২৫ শতাংশ করে অংশীদার এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু।
ব্যাংকের নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।