ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব: ২৬ দিনে প্রাণ হারাল ১৬৬ শিশু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিসে বাংলাদেশের স্বর্ণজয় সংসদ থেকে বিরোধী দলের আবারও ওয়াকআউট: ‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বড় নিয়োগ, আবেদন শেষ ১০ এপ্রিল পুলিশে ২৭০৩ কনস্টেবল নিয়োগ: জেলাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৩ হাজারের বেশি পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে আহত ৩ সেনা কর্মকর্তা ও ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা: দেশবাসীকে সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকা বৃদ্ধি: যোগ হচ্ছে ফিলিস্তিনসহ আরও ছয় দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 428

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতা বাড়িয়ে আরও ছয়টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। নতুন তালিকায় সিরিয়ার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। এ খবর জানিয়েছে টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

হোয়াইট হাউস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিবাসন ও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে ট্রাম্প প্রশাসনের দীর্ঘদিনের নীতিগত অবস্থানের অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ বাহিনী গঠন করতে চলেছে ট্রাম্প

এ সংক্রান্ত একটি প্রোক্লামেশনে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যার মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের বিধান কার্যকর করা হয়েছে।

টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ঘোষণার আওতায় বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান ও সিরিয়ার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীদের ক্ষেত্রেও পূর্ণ প্রবেশ-নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এর আগে আরও ১২টি দেশ ইতোমধ্যে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নতুন এই নিষেধাজ্ঞা কতদিন বলবৎ থাকবে বা বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে কি না—সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

এর আগে গত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে ১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর সম্পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। সেসব দেশের নাগরিকরা কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পাশাপাশি আরও সাতটি দেশের নাগরিকদের ওপর আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

সেসময় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো ছিল—আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন। আর আংশিক নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ছিল—বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এসব সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও জনগণের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে অতীতের মতো এবারও এসব পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনা ও আইনি চ্যালেঞ্জের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, তবুও প্রশাসন এগুলোকে বৈধ ও অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকা বৃদ্ধি: যোগ হচ্ছে ফিলিস্তিনসহ আরও ছয় দেশ

আপডেট সময় ০১:২৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতা বাড়িয়ে আরও ছয়টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। নতুন তালিকায় সিরিয়ার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। এ খবর জানিয়েছে টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

হোয়াইট হাউস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিবাসন ও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে ট্রাম্প প্রশাসনের দীর্ঘদিনের নীতিগত অবস্থানের অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-সুরক্ষায় বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন

এ সংক্রান্ত একটি প্রোক্লামেশনে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যার মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের বিধান কার্যকর করা হয়েছে।

টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ঘোষণার আওতায় বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান ও সিরিয়ার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীদের ক্ষেত্রেও পূর্ণ প্রবেশ-নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এর আগে আরও ১২টি দেশ ইতোমধ্যে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নতুন এই নিষেধাজ্ঞা কতদিন বলবৎ থাকবে বা বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে কি না—সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

এর আগে গত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে ১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর সম্পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। সেসব দেশের নাগরিকরা কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পাশাপাশি আরও সাতটি দেশের নাগরিকদের ওপর আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

সেসময় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো ছিল—আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন। আর আংশিক নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ছিল—বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এসব সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও জনগণের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে অতীতের মতো এবারও এসব পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনা ও আইনি চ্যালেঞ্জের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, তবুও প্রশাসন এগুলোকে বৈধ ও অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছে।