ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

ভারত থেকে এলো ৬০ টন পেঁয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 906

ছবি সংগৃহীত

 

দীর্ঘ আড়াই বছরের বিরতির পর অবশেষে ভারত থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে আবারও পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে এক সপ্তাহে তিন চালানে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আমদানিকারকরা ইতোমধ্যে এসব পেঁয়াজ বন্দর থেকে খালাস নিয়ে গেছেন।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে তৃতীয় চালানে একটি ট্রাকে ১৫ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। এই চালানটি আজ মঙ্গলবার সকালে আমদানিকারক খালাস নেবেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশকে ভারতের বার্তা: সীমান্ত সুরক্ষায় সব চুক্তি অনুসরণ করা হচ্ছে

এর আগে, ২৫ আগস্ট প্রথম চালানে ১৫ টন এবং ২৮ আগস্ট রাতে দ্বিতীয় চালানে ভারতীয় দুটি ট্রাকে ৩০ টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এ নিয়ে তিন চালানে মোট ৬০ টন পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি হয়েছে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আড়াই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবরে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

প্রতি টন পেঁয়াজ ৩০৫ ডলারে আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে, যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৭ হাজার ৪২৯ টাকা। সেক্ষেত্রে প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য পড়েছে প্রায় ৩৮ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ মানভেদে ৫৭-৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি করা সম্ভব।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর বলেন, ‘এর আগে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার আমদানি বন্ধ করেছিল। পরে ভারতও রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে দেশে চাহিদার বিপরীতে আমদানি ও পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও অতিরিক্ত মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছিল। এতে নিম্ন আয়ের মানুষকে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছিল। অবশেষে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়।’

এসব পেঁয়াজের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাগেরহাটের এসএম ওয়েল ট্রেডার্স এবং রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের ন্যাশনাল ট্রেডিং করপোরেশন। বন্দর থেকে পেঁয়াজের চালান এজেন্ট করার জন্য কাস্টমস হাউজে কাগজপত্র দাখিল করছে সিঅ্যান্ডএফ লিংক ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধকেন্দ্রের উপসহকারী শ্যামল কুমার নাথ জানান, সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসএম ওয়েল ট্রেডার্স ৪৫ টন পেঁয়াজ আমদানি করেছে। মান পরীক্ষা শেষে পেঁয়াজ খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, আড়াই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে দুটি চালানে ৪৫ টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে এবং এসব পেঁয়াজ বন্দর থেকে খালাস নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত থেকে এলো ৬০ টন পেঁয়াজ

আপডেট সময় ০৪:১৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

দীর্ঘ আড়াই বছরের বিরতির পর অবশেষে ভারত থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে আবারও পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে এক সপ্তাহে তিন চালানে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আমদানিকারকরা ইতোমধ্যে এসব পেঁয়াজ বন্দর থেকে খালাস নিয়ে গেছেন।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে তৃতীয় চালানে একটি ট্রাকে ১৫ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। এই চালানটি আজ মঙ্গলবার সকালে আমদানিকারক খালাস নেবেন।

আরও পড়ুন  অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

এর আগে, ২৫ আগস্ট প্রথম চালানে ১৫ টন এবং ২৮ আগস্ট রাতে দ্বিতীয় চালানে ভারতীয় দুটি ট্রাকে ৩০ টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এ নিয়ে তিন চালানে মোট ৬০ টন পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি হয়েছে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আড়াই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবরে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

প্রতি টন পেঁয়াজ ৩০৫ ডলারে আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে, যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৭ হাজার ৪২৯ টাকা। সেক্ষেত্রে প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য পড়েছে প্রায় ৩৮ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ মানভেদে ৫৭-৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি করা সম্ভব।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর বলেন, ‘এর আগে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার আমদানি বন্ধ করেছিল। পরে ভারতও রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে দেশে চাহিদার বিপরীতে আমদানি ও পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও অতিরিক্ত মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছিল। এতে নিম্ন আয়ের মানুষকে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছিল। অবশেষে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়।’

এসব পেঁয়াজের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাগেরহাটের এসএম ওয়েল ট্রেডার্স এবং রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের ন্যাশনাল ট্রেডিং করপোরেশন। বন্দর থেকে পেঁয়াজের চালান এজেন্ট করার জন্য কাস্টমস হাউজে কাগজপত্র দাখিল করছে সিঅ্যান্ডএফ লিংক ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধকেন্দ্রের উপসহকারী শ্যামল কুমার নাথ জানান, সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসএম ওয়েল ট্রেডার্স ৪৫ টন পেঁয়াজ আমদানি করেছে। মান পরীক্ষা শেষে পেঁয়াজ খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, আড়াই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে দুটি চালানে ৪৫ টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে এবং এসব পেঁয়াজ বন্দর থেকে খালাস নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।