ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা: খালাস পেলেন খালেদা ও তারেক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 390

ছবি সংগৃহীত

 

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামি খালাস পেয়েছেন। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বাতিল করে আদালত জানান, এ মামলাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন  বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে যা বললেন তারেক রহমান

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) শেষ হওয়া আপিল শুনানিতে বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলেন, মামলাটি প্রহসনমূলক। রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীরাও মামলার সাক্ষ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাননি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। পরে নজিরবিহীনভাবে তার সাজা হাইকোর্টে বাড়ানো হয়। এ মামলায় দুই বছর কারাভোগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মামলার তথ্যপ্রমাণ বিচার করে আপিল বিভাগ আসামিদের খালাস দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও আইনি জটিলতার অবসান ঘটল।

নিউজটি শেয়ার করুন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা: খালাস পেলেন খালেদা ও তারেক

আপডেট সময় ০১:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

 

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামি খালাস পেয়েছেন। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বাতিল করে আদালত জানান, এ মামলাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন  ছায়া মন্ত্রিসভা কী, কেন, কীভাবে গঠন করা হয়?

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) শেষ হওয়া আপিল শুনানিতে বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলেন, মামলাটি প্রহসনমূলক। রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীরাও মামলার সাক্ষ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাননি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। পরে নজিরবিহীনভাবে তার সাজা হাইকোর্টে বাড়ানো হয়। এ মামলায় দুই বছর কারাভোগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মামলার তথ্যপ্রমাণ বিচার করে আপিল বিভাগ আসামিদের খালাস দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও আইনি জটিলতার অবসান ঘটল।