ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা: খালাস পেলেন খালেদা ও তারেক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 387

ছবি সংগৃহীত

 

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামি খালাস পেয়েছেন। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বাতিল করে আদালত জানান, এ মামলাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন  সংবিধান সংশোধন চাই, সংস্কারের কথা কখনও বলিনি: মির্জা ফখরুল

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) শেষ হওয়া আপিল শুনানিতে বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলেন, মামলাটি প্রহসনমূলক। রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীরাও মামলার সাক্ষ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাননি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। পরে নজিরবিহীনভাবে তার সাজা হাইকোর্টে বাড়ানো হয়। এ মামলায় দুই বছর কারাভোগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মামলার তথ্যপ্রমাণ বিচার করে আপিল বিভাগ আসামিদের খালাস দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও আইনি জটিলতার অবসান ঘটল।

নিউজটি শেয়ার করুন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা: খালাস পেলেন খালেদা ও তারেক

আপডেট সময় ০১:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

 

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামি খালাস পেয়েছেন। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ে হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বাতিল করে আদালত জানান, এ মামলাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন  বিএনপির সংবাদ সম্মেলন আজ

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) শেষ হওয়া আপিল শুনানিতে বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলেন, মামলাটি প্রহসনমূলক। রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীরাও মামলার সাক্ষ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাননি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। পরে নজিরবিহীনভাবে তার সাজা হাইকোর্টে বাড়ানো হয়। এ মামলায় দুই বছর কারাভোগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মামলার তথ্যপ্রমাণ বিচার করে আপিল বিভাগ আসামিদের খালাস দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও আইনি জটিলতার অবসান ঘটল।