ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

মেহেরপুরের গাংনীতে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / 741

ছবি সংগৃহীত

 

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জোড়পুকুরিয়া গ্রামে পুকুরে ডুবে ফাহিম হোসেন (৮) নামে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুর দুইটার দিকে জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত একটি পুকুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ফাহিম হোসেন ওই গ্রামের জাহিদ হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল। গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানী ইসরাইল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন  মুড়ি পার্টিতে ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র নিহত, এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে ফাহিম অন্যান্য শিশুর সঙ্গে বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবল খেলছিল। খেলাধুলার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে বিদ্যালয়ের পাশের পুকুরে পড়ে যায়। প্রথমদিকে বিষয়টি কেউ বুঝতে না পারলেও, দীর্ঘক্ষণ খোঁজ না মেলায় চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর স্থানীয়রা ফাহিমের নিথর দেহ পুকুরের পানিতে ভেসে থাকতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশু বয়সে এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই।

জানা গেছে, মাত্র দুই বছর আগে একই পুকুরে সাব্বির হোসেন নামে এক ব্যক্তি পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছিলেন। একই স্থানে এভাবে আবারো একটি প্রাণহানির ঘটনায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত ও শোকাহত। পুকুরটি খোলা অবস্থায় থাকায় শিশুদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।

এদিকে, ফাহিমের মৃত্যুর পর পুকুরটি ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, “পুকুরটি বিদ্যালয়ের পাশেই, প্রতিদিন শত শত শিশু এখানে খেলে। যদি আগেই সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে হয়তো এমন দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।”

স্থানীয় প্রশাসন ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে শিশুটির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মেহেরপুরের গাংনীতে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু

আপডেট সময় ০৪:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

 

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জোড়পুকুরিয়া গ্রামে পুকুরে ডুবে ফাহিম হোসেন (৮) নামে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুর দুইটার দিকে জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত একটি পুকুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ফাহিম হোসেন ওই গ্রামের জাহিদ হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল। গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানী ইসরাইল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন  মুড়ি পার্টিতে ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র নিহত, এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে ফাহিম অন্যান্য শিশুর সঙ্গে বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবল খেলছিল। খেলাধুলার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে বিদ্যালয়ের পাশের পুকুরে পড়ে যায়। প্রথমদিকে বিষয়টি কেউ বুঝতে না পারলেও, দীর্ঘক্ষণ খোঁজ না মেলায় চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর স্থানীয়রা ফাহিমের নিথর দেহ পুকুরের পানিতে ভেসে থাকতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশু বয়সে এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই।

জানা গেছে, মাত্র দুই বছর আগে একই পুকুরে সাব্বির হোসেন নামে এক ব্যক্তি পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছিলেন। একই স্থানে এভাবে আবারো একটি প্রাণহানির ঘটনায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত ও শোকাহত। পুকুরটি খোলা অবস্থায় থাকায় শিশুদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।

এদিকে, ফাহিমের মৃত্যুর পর পুকুরটি ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, “পুকুরটি বিদ্যালয়ের পাশেই, প্রতিদিন শত শত শিশু এখানে খেলে। যদি আগেই সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে হয়তো এমন দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।”

স্থানীয় প্রশাসন ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে শিশুটির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।