ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

‘ঘেউ ঘেউ করার জন্য পুরা ইউরোপ টোকাইয়া মাত্র ২০টা লোক পাইলো’: প্রেস সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৫:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 483

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রীয় সফররত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কিছু প্রবাসী বাংলাদেশি বিক্ষোভ করেছেন। তবে এই বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া।

এই প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বুধবার (১১ জুন) দিনগত রাত ১২টা আট মিনিটে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, “ঘেউ ঘেউ করার জন্য পুরা ইউরোপ টোকাইয়া মাত্র ২০টা লোক পাইলো!” যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। তার এ বক্তব্য ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় হাস্যরস, রাগ ও বিতর্কের ঝড়।

আরও পড়ুন  “আমরা চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে দিচ্ছি না: প্রেস সচিবের সাফ বক্তব্য

ফেসবুক পোস্টটির নিচে অনেকেই মন্তব্য করে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একজন আমিনুল ইসলাম লিখেছেন, “আল্লাহ্‌রে আল্লাহ্‌। আপনাদের জন্য আর মন খারাপ করে থাকতেও পারি না। একটু মন খারাপ হয়েছিল। এখন এর মাঝেও হাসছি! কি একটা অবস্থা!”

আরেকজন, সাদিকুর রহমান খান মন্তব্য করেন, “সবচে বড় ব্যাপার, একবার আপনাকে নাস্তিক বলল, আরেকবার বলল টেররিস্ট। মানে গালি কি দিতে হবে, সেইটাও জানে না টোকাইগুলা।”

তবে সবাই যে সমর্থন করেছেন তা নয়। ভিন্নমত পোষণ করে আবু সাইদ আহমেদ নামের একজন লেখেন, “ইউরোপ মহাদেশে স্বাধীন দেশের সংখ্যা পঞ্চাশটি। তাই আড়াইটা রাষ্ট্র থেকে একজন করে প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল—একে আপনার কম মনে হয়!”

সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে নানা অভিযোগ ও মন্তব্য সামনে আসছে। তবে রাষ্ট্রীয় সফরে এধরনের প্রবাসী বিক্ষোভ এবং তাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে এমন ভাষার ব্যবহার নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন ও রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার বহির্ভূত।

ফেসবুক পোস্টটি এখনো অনেকে শেয়ার ও আলোচনা করছেন, যা থেকেই বোঝা যাচ্ছে এই সফরের পাশাপাশি ফেসবুক পোস্টটিও হয়ে উঠেছে এক ‘হট টপিক’।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘ঘেউ ঘেউ করার জন্য পুরা ইউরোপ টোকাইয়া মাত্র ২০টা লোক পাইলো’: প্রেস সচিব

আপডেট সময় ১০:১৫:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

 

যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রীয় সফররত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কিছু প্রবাসী বাংলাদেশি বিক্ষোভ করেছেন। তবে এই বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া।

এই প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বুধবার (১১ জুন) দিনগত রাত ১২টা আট মিনিটে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, “ঘেউ ঘেউ করার জন্য পুরা ইউরোপ টোকাইয়া মাত্র ২০টা লোক পাইলো!” যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। তার এ বক্তব্য ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় হাস্যরস, রাগ ও বিতর্কের ঝড়।

আরও পড়ুন  সাংবাদিকতায় বাংলাদেশের মতো স্বাধীনতা উন্নত বিশ্বেও নেই: প্রেস সচিব

ফেসবুক পোস্টটির নিচে অনেকেই মন্তব্য করে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একজন আমিনুল ইসলাম লিখেছেন, “আল্লাহ্‌রে আল্লাহ্‌। আপনাদের জন্য আর মন খারাপ করে থাকতেও পারি না। একটু মন খারাপ হয়েছিল। এখন এর মাঝেও হাসছি! কি একটা অবস্থা!”

আরেকজন, সাদিকুর রহমান খান মন্তব্য করেন, “সবচে বড় ব্যাপার, একবার আপনাকে নাস্তিক বলল, আরেকবার বলল টেররিস্ট। মানে গালি কি দিতে হবে, সেইটাও জানে না টোকাইগুলা।”

তবে সবাই যে সমর্থন করেছেন তা নয়। ভিন্নমত পোষণ করে আবু সাইদ আহমেদ নামের একজন লেখেন, “ইউরোপ মহাদেশে স্বাধীন দেশের সংখ্যা পঞ্চাশটি। তাই আড়াইটা রাষ্ট্র থেকে একজন করে প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল—একে আপনার কম মনে হয়!”

সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে নানা অভিযোগ ও মন্তব্য সামনে আসছে। তবে রাষ্ট্রীয় সফরে এধরনের প্রবাসী বিক্ষোভ এবং তাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে এমন ভাষার ব্যবহার নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন ও রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার বহির্ভূত।

ফেসবুক পোস্টটি এখনো অনেকে শেয়ার ও আলোচনা করছেন, যা থেকেই বোঝা যাচ্ছে এই সফরের পাশাপাশি ফেসবুক পোস্টটিও হয়ে উঠেছে এক ‘হট টপিক’।