ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

সাংবাদিকতায় বাংলাদেশের মতো স্বাধীনতা উন্নত বিশ্বেও নেই: প্রেস সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 564

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা উন্নত দেশগুলোর চেয়েও বেশি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, “গত ১০ মাসে বর্তমান সরকার সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যমকে কোনো প্রকার চাপ দেয়নি, বাধা দেয়নি যেমনটা আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেখা গিয়েছিল।”

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাজধানীর তোপখানা রোডের সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও অভিযোগ নিষ্পত্তির আইনি কাঠামোর পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের অর্থনীতি যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তা রীতিমতো মিরাকল: প্রেস সচিব

শফিকুল আলম বলেন, “বাংলাদেশে সাংবাদিকদের কোনো ফ্রিডম নেই এই ধারণা ভুল। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বর্তমানে এমন একটি পরিবেশ আছে, যেখানে সাংবাদিকতা চর্চায় এতটা স্বাধীনতা রয়েছে, যা অনেক উন্নত দেশেও দেখা যায় না।”

সেমিনারে অন্য আলোচকরা অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করেন। জাতীয় ঐকমত্যের সদস্য ও বেসরকারি সংগঠন সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “গত ১৫ বছর ধরে গণমাধ্যমে এক ধরনের অরাজকতা চলছে। এর ফলে অবৈধ নির্বাচনগুলো বৈধতা পেয়ে গেছে এবং ফ্যাসিবাদ সেই সুযোগ কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “অনিয়ম রুখতে গণমাধ্যমই সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। যদি গণমাধ্যম তার স্বাধীন ভূমিকা পালন করতে পারতো, তবে দেশে জালিয়াতির নির্বাচন থামানো সম্ভব হতো।”

জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেন, “সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে সংবাদমাধ্যমের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা পৃথক করতে হবে। গণমাধ্যমকে লাভের উদ্দেশ্যে পরিচালনা করা হলে সেখানে স্বাধীনতা টিকবে না। বরং এগুলো নন-প্রফিট মডেলে পরিচালিত হওয়াই যুক্তিযুক্ত।”

তিনি আরও বলেন, “যখন মালিকানার স্বার্থ এবং বাণিজ্যিক চাপ সংবাদ সংস্থার ওপর পড়ে, তখন সত্য বলা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে, স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ সংকুচিত হয়।”

সেমিনারে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাংবাদিকতায় বাংলাদেশের মতো স্বাধীনতা উন্নত বিশ্বেও নেই: প্রেস সচিব

আপডেট সময় ০৬:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

 

বাংলাদেশে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা উন্নত দেশগুলোর চেয়েও বেশি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, “গত ১০ মাসে বর্তমান সরকার সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যমকে কোনো প্রকার চাপ দেয়নি, বাধা দেয়নি যেমনটা আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেখা গিয়েছিল।”

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাজধানীর তোপখানা রোডের সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও অভিযোগ নিষ্পত্তির আইনি কাঠামোর পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  নিজেদের সুবিধার আশায় স্বৈরাচারের দালালি করেছে একদল সাংবাদিক: প্রেস সচিব

শফিকুল আলম বলেন, “বাংলাদেশে সাংবাদিকদের কোনো ফ্রিডম নেই এই ধারণা ভুল। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বর্তমানে এমন একটি পরিবেশ আছে, যেখানে সাংবাদিকতা চর্চায় এতটা স্বাধীনতা রয়েছে, যা অনেক উন্নত দেশেও দেখা যায় না।”

সেমিনারে অন্য আলোচকরা অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করেন। জাতীয় ঐকমত্যের সদস্য ও বেসরকারি সংগঠন সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “গত ১৫ বছর ধরে গণমাধ্যমে এক ধরনের অরাজকতা চলছে। এর ফলে অবৈধ নির্বাচনগুলো বৈধতা পেয়ে গেছে এবং ফ্যাসিবাদ সেই সুযোগ কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “অনিয়ম রুখতে গণমাধ্যমই সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। যদি গণমাধ্যম তার স্বাধীন ভূমিকা পালন করতে পারতো, তবে দেশে জালিয়াতির নির্বাচন থামানো সম্ভব হতো।”

জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেন, “সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে সংবাদমাধ্যমের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা পৃথক করতে হবে। গণমাধ্যমকে লাভের উদ্দেশ্যে পরিচালনা করা হলে সেখানে স্বাধীনতা টিকবে না। বরং এগুলো নন-প্রফিট মডেলে পরিচালিত হওয়াই যুক্তিযুক্ত।”

তিনি আরও বলেন, “যখন মালিকানার স্বার্থ এবং বাণিজ্যিক চাপ সংবাদ সংস্থার ওপর পড়ে, তখন সত্য বলা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে, স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ সংকুচিত হয়।”

সেমিনারে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।