ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আসছে সুখবর, বাড়ছে বিশেষ প্রণোদনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 293

ছবি সংগৃহীত

 

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা নয়, বরং বিশেষ প্রণোদনার হার বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আগামী জুলাই মাস থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে নিশ্চিত করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সোমবার (২ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “২০১৫ সালের পর থেকে কোনো নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা হয়নি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনার হার বৃদ্ধির প্রস্তাব করছি।”

আরও পড়ুন  জন্মহার বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রণোদনা-ভিত্তিক নীতি ঘোষণা তুরস্কের

জানা গেছে, বর্তমানে বিদ্যমান ৫ শতাংশ হারে বিশেষ প্রণোদনা দেয়া হলেও জুলাই থেকে সেটি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হবে। নতুন ব্যবস্থায় ১০ম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মোট ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ প্রণোদনা পাবেন, যার মধ্যে বর্তমান ৫ শতাংশের সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ১০ শতাংশ যোগ হবে। অন্যদিকে, ১ম গ্রেড থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন ১০ শতাংশ হারে প্রণোদনা, অর্থাৎ বর্তমানের তুলনায় ৫ শতাংশ বাড়তি সুবিধা পাবেন তারা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই প্রণোদনা বৃদ্ধির ফলে সরকারি কোষাগার থেকে বছরে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে। তবে এটি সরকারি কর্মচারীদের কর্মউৎসাহ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিন ধরে বেতন কাঠামো সংশোধনের দাবি ছিল। যদিও এবারের বাজেটে নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি, তবে প্রণোদনা বৃদ্ধিকে অনেকেই ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, চলমান মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় এই বিশেষ সুবিধা সরকারি চাকরিজীবীদের কিছুটা স্বস্তি দেবে।

সরকারি খাতে এই উদ্যোগের ফলে সামগ্রিকভাবে ব্যয় বাড়লেও কর্মীদের উৎপাদনশীলতা ও মনোবল বৃদ্ধিতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আসছে সুখবর, বাড়ছে বিশেষ প্রণোদনা

আপডেট সময় ০২:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা নয়, বরং বিশেষ প্রণোদনার হার বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আগামী জুলাই মাস থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে নিশ্চিত করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সোমবার (২ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “২০১৫ সালের পর থেকে কোনো নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা হয়নি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনার হার বৃদ্ধির প্রস্তাব করছি।”

আরও পড়ুন  জন্মহার বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রণোদনা-ভিত্তিক নীতি ঘোষণা তুরস্কের

জানা গেছে, বর্তমানে বিদ্যমান ৫ শতাংশ হারে বিশেষ প্রণোদনা দেয়া হলেও জুলাই থেকে সেটি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হবে। নতুন ব্যবস্থায় ১০ম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মোট ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ প্রণোদনা পাবেন, যার মধ্যে বর্তমান ৫ শতাংশের সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ১০ শতাংশ যোগ হবে। অন্যদিকে, ১ম গ্রেড থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন ১০ শতাংশ হারে প্রণোদনা, অর্থাৎ বর্তমানের তুলনায় ৫ শতাংশ বাড়তি সুবিধা পাবেন তারা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই প্রণোদনা বৃদ্ধির ফলে সরকারি কোষাগার থেকে বছরে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে। তবে এটি সরকারি কর্মচারীদের কর্মউৎসাহ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিন ধরে বেতন কাঠামো সংশোধনের দাবি ছিল। যদিও এবারের বাজেটে নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি, তবে প্রণোদনা বৃদ্ধিকে অনেকেই ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, চলমান মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় এই বিশেষ সুবিধা সরকারি চাকরিজীবীদের কিছুটা স্বস্তি দেবে।

সরকারি খাতে এই উদ্যোগের ফলে সামগ্রিকভাবে ব্যয় বাড়লেও কর্মীদের উৎপাদনশীলতা ও মনোবল বৃদ্ধিতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।