ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই দৃশ্যমান দৃষ্টান্ত: প্রধান বিচারপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 549

ছবি সংগৃহীত

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, “আমরা এমন একটি দৃষ্টান্ত রেখে যেতে চাই, যেখানে সবাই বলবে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শুধু রায় দেয়নি, বরং প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে।”

বুধবার (১৪ মে) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে ‘ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আরও পড়ুন  শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা :মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হিটুর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে প্রেরণ

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি কাজী জিনাত হক। উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক সৈয়দ আজাদ সুবহানী, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং কমিটির সদস্য সচিব সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম জামিউল হক ফয়সাল।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা যে পথে এগোচ্ছি তা সহজ নয়, কিন্তু বিচার বিভাগের সাড়া দেখে আমি অনুপ্রাণিত। রাজধানীসহ দেশের সাতটি বিভাগে ঘুরে আমি বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন পেশার সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানাই তারা যেন এই দায়িত্ব নিজেদের বলে মনে করেন।”

তিনি জানান, বিচার ব্যবস্থার এই সংস্কারে উন্নয়ন সহযোগীরাও পাশে আছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) গত ডিসেম্বর থেকে সরাসরি সম্পৃক্ত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, সুইডেনসহ অন্যান্য সহযোগীরা প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি নৈতিক সমর্থনও দিয়ে যাচ্ছে। তাদের আস্থাই এই ভিশনকে এগিয়ে নিচ্ছে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য সেই মানুষ, যারা দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে ন্যায়বিচারের আশায় চেয়ে থাকেন। তাই সরকারের কর্মকর্তা, আইনজীবী, বিচারক, গণমাধ্যম ও উন্নয়ন সহযোগীদের আহ্বান জানাই মানুষকেন্দ্রিক ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে সবাই যেন নতুন প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেন।”

বিচার ব্যবস্থায় অভিগম্যতা ও তথ্যপ্রবাহ সহজ করতে দেশের সব অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে সহায়তা হেল্পলাইন চালুর ঘোষণা দেন তিনি। জানান, ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে এই হেল্পলাইন চালু করা হবে, যাতে বিচারপ্রার্থীরা তাৎক্ষণিক অভিযোগ জানাতে পারেন।

এ উদ্যোগকে তিনি বিচার বিভাগের অঙ্গীকারের আরেকটি মাইলফলক বলে মন্তব্য করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই দৃশ্যমান দৃষ্টান্ত: প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় ১০:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, “আমরা এমন একটি দৃষ্টান্ত রেখে যেতে চাই, যেখানে সবাই বলবে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শুধু রায় দেয়নি, বরং প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে।”

বুধবার (১৪ মে) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে ‘ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আরও পড়ুন  কলকাতায় চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড: দোষী সাব্যস্ত পুলিশ সদস্য

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি কাজী জিনাত হক। উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক সৈয়দ আজাদ সুবহানী, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং কমিটির সদস্য সচিব সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম জামিউল হক ফয়সাল।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা যে পথে এগোচ্ছি তা সহজ নয়, কিন্তু বিচার বিভাগের সাড়া দেখে আমি অনুপ্রাণিত। রাজধানীসহ দেশের সাতটি বিভাগে ঘুরে আমি বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন পেশার সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানাই তারা যেন এই দায়িত্ব নিজেদের বলে মনে করেন।”

তিনি জানান, বিচার ব্যবস্থার এই সংস্কারে উন্নয়ন সহযোগীরাও পাশে আছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) গত ডিসেম্বর থেকে সরাসরি সম্পৃক্ত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, সুইডেনসহ অন্যান্য সহযোগীরা প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি নৈতিক সমর্থনও দিয়ে যাচ্ছে। তাদের আস্থাই এই ভিশনকে এগিয়ে নিচ্ছে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য সেই মানুষ, যারা দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে ন্যায়বিচারের আশায় চেয়ে থাকেন। তাই সরকারের কর্মকর্তা, আইনজীবী, বিচারক, গণমাধ্যম ও উন্নয়ন সহযোগীদের আহ্বান জানাই মানুষকেন্দ্রিক ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে সবাই যেন নতুন প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেন।”

বিচার ব্যবস্থায় অভিগম্যতা ও তথ্যপ্রবাহ সহজ করতে দেশের সব অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে সহায়তা হেল্পলাইন চালুর ঘোষণা দেন তিনি। জানান, ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে এই হেল্পলাইন চালু করা হবে, যাতে বিচারপ্রার্থীরা তাৎক্ষণিক অভিযোগ জানাতে পারেন।

এ উদ্যোগকে তিনি বিচার বিভাগের অঙ্গীকারের আরেকটি মাইলফলক বলে মন্তব্য করেন।