ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ই-ক্যাব নির্বাচনের প্রার্থী মিলনমেলা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 397

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতের টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণের লক্ষ্যে ২০২৫-২০২৭ মেয়াদের ই-ক্যাব নির্বাহী কমিটির প্রার্থীদের উদ্যোগে এক ব্যতিক্রমী মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে মতবিনিময়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সহযোগিতার দিকগুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

রাজধানীর শেরাটন হোটেলে মঙ্গলবার (৫ মে) আয়োজিত সভায় বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় ই-কমার্স খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  নববর্ষের আনন্দে রমনায় লাখো মানুষের মিলনমেলা

প্রার্থীরা একমত হন যে, দেশের ই-কমার্স খাত দ্রুত এগিয়ে গেলেও কিছু নীতি-গত অসংগতি, গ্রাহক সন্তুষ্টির ঘাটতি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের দক্ষতা সংকট এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

আলোচনায় গুরুত্ব পায়—নিয়ন্ত্রক কাঠামো সংস্কার, গ্রাহক আস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা বজায় রাখা এবং লজিস্টিকস ও ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের আধুনিকায়ন।

এক প্রার্থী মন্তব্য করেন, “আমরা ভিন্ন পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আমাদের লক্ষ্য অভিন্ন। একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং উদ্ভাবনী ই-কমার্স ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা।”

এ আয়োজনটি ছিল নিরপেক্ষ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে। সকল প্রার্থী আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন ই-ক্যাব নির্বাচন (৩১ মে ২০২৫) হবে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যা খাতটির সামনে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করবে।

শেষে, উপস্থিত প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দেন—নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, তারা বাংলাদেশের ই-কমার্সকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। তাদের মতে, “একসঙ্গে চললে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়”—এটাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ই-কমার্সে সাফল্যের মূলমন্ত্র।

নিউজটি শেয়ার করুন

ই-ক্যাব নির্বাচনের প্রার্থী মিলনমেলা

আপডেট সময় ১০:৩১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতের টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণের লক্ষ্যে ২০২৫-২০২৭ মেয়াদের ই-ক্যাব নির্বাহী কমিটির প্রার্থীদের উদ্যোগে এক ব্যতিক্রমী মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে মতবিনিময়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সহযোগিতার দিকগুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

রাজধানীর শেরাটন হোটেলে মঙ্গলবার (৫ মে) আয়োজিত সভায় বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় ই-কমার্স খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  ঐতিহ্য আর ভক্তির মিলনমেলা—তিতাস নদীতে গঙ্গাস্নান ও লোকজ উৎসব

প্রার্থীরা একমত হন যে, দেশের ই-কমার্স খাত দ্রুত এগিয়ে গেলেও কিছু নীতি-গত অসংগতি, গ্রাহক সন্তুষ্টির ঘাটতি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের দক্ষতা সংকট এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

আলোচনায় গুরুত্ব পায়—নিয়ন্ত্রক কাঠামো সংস্কার, গ্রাহক আস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা বজায় রাখা এবং লজিস্টিকস ও ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের আধুনিকায়ন।

এক প্রার্থী মন্তব্য করেন, “আমরা ভিন্ন পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আমাদের লক্ষ্য অভিন্ন। একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং উদ্ভাবনী ই-কমার্স ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা।”

এ আয়োজনটি ছিল নিরপেক্ষ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে। সকল প্রার্থী আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন ই-ক্যাব নির্বাচন (৩১ মে ২০২৫) হবে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যা খাতটির সামনে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করবে।

শেষে, উপস্থিত প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দেন—নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, তারা বাংলাদেশের ই-কমার্সকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। তাদের মতে, “একসঙ্গে চললে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়”—এটাই ডিজিটাল বাংলাদেশের ই-কমার্সে সাফল্যের মূলমন্ত্র।