ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে চেন্নাই পুলিশের মামলা বিসিএস ক্যাডার, প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী; এক নজরে সালাহউদ্দিন আহমদ ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে: দাবি ট্রাম্পের সংসার সুখের করতে স্বামীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন আজ খুলনা পুলিশ লাইনে কনস্টেবলের রহস্যজনক আত্মহত্যা জিলকদ মাসের চাঁদ দেখতে সন্ধ্যায় বসছে জাতীয় কমিটি শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী পেশা বদলের অনুমতি দিল কুয়েত সরকার অনুমতি মেলেনি ইরানের, হরমুজ প্রণালিতে আটকা ‘বাংলার জয়যাত্রা’ গরুর দুধের পুষ্টি ও শিশুর নিরাপত্তা: মায়েদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্য টিপস সরকারের দুই মাস পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলন

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে গোলাগুলি অব্যাহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • / 249

ছবি সংগৃহীত

 

কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার প্রেক্ষাপটে ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাতে নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর এই গোলাগুলি হয়, তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। টানা ১১ রাত ধরে এই গোলাগুলির ঘটনা চলমান রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেহেলগামে হামলার পর থেকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী একতরফা গুলিবর্ষণ করছে। সর্বশেষ ৪ ও ৫ মে মধ্যবর্তী রাতে কুপওয়ারা, বারামুলা, পুঞ্চ, রাজৌরি, মেন্ধার, নওশেরা, সুন্দরবন ও আখনুর সেক্টরে গোলাগুলি চালানো হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাল্টা জবাব দিয়েছে।

আরও পড়ুন  চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আজ হাই ভোল্টেজ ম্যাচ, মুখোমুখি হচ্ছে চির প্রতিদ্বন্দ্বি ভারত-পাকিস্তান    

এছাড়া, চলমান এই সংঘর্ষের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের একজন করে সেনাকে আটক করেছে। ভারতের বিএসএফ সদস্য পূর্ণম কুমার সাহু ২৩ এপ্রিল সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানে প্রবেশ করেন এবং পাকিস্তান রেঞ্জার্স তাকে আটক করে। পাল্টা হিসেবে ৩ মে রাজস্থানে এক পাকিস্তানি রেঞ্জারকে বিএসএফ আটক করেছে।

পেহেলগামে ২২ এপ্রিল বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই পর্যটক। ভারত অভিযোগ করে যে এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে, যা পাকিস্তান নাকচ করেছে। হামলার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়ে গেছে।

ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে, যেমন সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত ও আতারি সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করা। পাকিস্তানও পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের আকাশসীমা ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য বন্ধ করে এবং ভারতীয় বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে।

এদিকে, পাকিস্তান শনিবার ‘আবদালি’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে, যা ৪৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ভারতের কর্মকর্তারা এটিকে ‘উসকানি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামরিক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং পরদিন ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধানের সঙ্গে জরুরি আলোচনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে গোলাগুলি অব্যাহত

আপডেট সময় ০৯:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

 

কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার প্রেক্ষাপটে ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাতে নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর এই গোলাগুলি হয়, তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। টানা ১১ রাত ধরে এই গোলাগুলির ঘটনা চলমান রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেহেলগামে হামলার পর থেকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী একতরফা গুলিবর্ষণ করছে। সর্বশেষ ৪ ও ৫ মে মধ্যবর্তী রাতে কুপওয়ারা, বারামুলা, পুঞ্চ, রাজৌরি, মেন্ধার, নওশেরা, সুন্দরবন ও আখনুর সেক্টরে গোলাগুলি চালানো হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাল্টা জবাব দিয়েছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের আহ্বান: ভারত-পাকিস্তান সংঘাত বন্ধের জন্য জরুরি পদক্ষেপ

এছাড়া, চলমান এই সংঘর্ষের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের একজন করে সেনাকে আটক করেছে। ভারতের বিএসএফ সদস্য পূর্ণম কুমার সাহু ২৩ এপ্রিল সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানে প্রবেশ করেন এবং পাকিস্তান রেঞ্জার্স তাকে আটক করে। পাল্টা হিসেবে ৩ মে রাজস্থানে এক পাকিস্তানি রেঞ্জারকে বিএসএফ আটক করেছে।

পেহেলগামে ২২ এপ্রিল বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই পর্যটক। ভারত অভিযোগ করে যে এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে, যা পাকিস্তান নাকচ করেছে। হামলার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়ে গেছে।

ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে, যেমন সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত ও আতারি সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করা। পাকিস্তানও পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের আকাশসীমা ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য বন্ধ করে এবং ভারতীয় বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে।

এদিকে, পাকিস্তান শনিবার ‘আবদালি’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে, যা ৪৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ভারতের কর্মকর্তারা এটিকে ‘উসকানি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামরিক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং পরদিন ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধানের সঙ্গে জরুরি আলোচনা করেছেন।