ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে গোলাগুলি অব্যাহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • / 439

ছবি সংগৃহীত

 

কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার প্রেক্ষাপটে ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাতে নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর এই গোলাগুলি হয়, তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। টানা ১১ রাত ধরে এই গোলাগুলির ঘটনা চলমান রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেহেলগামে হামলার পর থেকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী একতরফা গুলিবর্ষণ করছে। সর্বশেষ ৪ ও ৫ মে মধ্যবর্তী রাতে কুপওয়ারা, বারামুলা, পুঞ্চ, রাজৌরি, মেন্ধার, নওশেরা, সুন্দরবন ও আখনুর সেক্টরে গোলাগুলি চালানো হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাল্টা জবাব দিয়েছে।

আরও পড়ুন  এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সৌরভের সমর্থন

এছাড়া, চলমান এই সংঘর্ষের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের একজন করে সেনাকে আটক করেছে। ভারতের বিএসএফ সদস্য পূর্ণম কুমার সাহু ২৩ এপ্রিল সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানে প্রবেশ করেন এবং পাকিস্তান রেঞ্জার্স তাকে আটক করে। পাল্টা হিসেবে ৩ মে রাজস্থানে এক পাকিস্তানি রেঞ্জারকে বিএসএফ আটক করেছে।

পেহেলগামে ২২ এপ্রিল বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই পর্যটক। ভারত অভিযোগ করে যে এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে, যা পাকিস্তান নাকচ করেছে। হামলার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়ে গেছে।

ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে, যেমন সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত ও আতারি সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করা। পাকিস্তানও পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের আকাশসীমা ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য বন্ধ করে এবং ভারতীয় বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে।

এদিকে, পাকিস্তান শনিবার ‘আবদালি’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে, যা ৪৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ভারতের কর্মকর্তারা এটিকে ‘উসকানি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামরিক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং পরদিন ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধানের সঙ্গে জরুরি আলোচনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে গোলাগুলি অব্যাহত

আপডেট সময় ০৯:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

 

কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার প্রেক্ষাপটে ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাতে নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর এই গোলাগুলি হয়, তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। টানা ১১ রাত ধরে এই গোলাগুলির ঘটনা চলমান রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেহেলগামে হামলার পর থেকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী একতরফা গুলিবর্ষণ করছে। সর্বশেষ ৪ ও ৫ মে মধ্যবর্তী রাতে কুপওয়ারা, বারামুলা, পুঞ্চ, রাজৌরি, মেন্ধার, নওশেরা, সুন্দরবন ও আখনুর সেক্টরে গোলাগুলি চালানো হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাল্টা জবাব দিয়েছে।

আরও পড়ুন  ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে নতুন রেকর্ড

এছাড়া, চলমান এই সংঘর্ষের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের একজন করে সেনাকে আটক করেছে। ভারতের বিএসএফ সদস্য পূর্ণম কুমার সাহু ২৩ এপ্রিল সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানে প্রবেশ করেন এবং পাকিস্তান রেঞ্জার্স তাকে আটক করে। পাল্টা হিসেবে ৩ মে রাজস্থানে এক পাকিস্তানি রেঞ্জারকে বিএসএফ আটক করেছে।

পেহেলগামে ২২ এপ্রিল বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই পর্যটক। ভারত অভিযোগ করে যে এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে, যা পাকিস্তান নাকচ করেছে। হামলার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়ে গেছে।

ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে, যেমন সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত ও আতারি সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করা। পাকিস্তানও পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের আকাশসীমা ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য বন্ধ করে এবং ভারতীয় বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে।

এদিকে, পাকিস্তান শনিবার ‘আবদালি’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে, যা ৪৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ভারতের কর্মকর্তারা এটিকে ‘উসকানি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামরিক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং পরদিন ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধানের সঙ্গে জরুরি আলোচনা করেছেন।