ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনা নিষিদ্ধ করল সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 430

ছবি সংগৃহীত

 

সুন্দরবনের পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) অর্থাৎ ১০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে নতুন করে কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প গড়ে তোলা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। পরিবেশ রক্ষায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

সোমবার সচিবালয়ে জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন কমিটির নির্বাহী কমিটির ১৬তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিশিষ্ট পরিবেশবিদ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

আরও পড়ুন  অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে

সভায় ২০১৭ সালের জাতীয় পরিবেশ কমিটির ৩.৪.৪ ধারা এবং ২০২১ সালের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের মাধ্যমে সুন্দরবনের আশপাশের এলাকার পরিবেশগত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে সিদ্ধান্ত হয় ইতিমধ্যে ১০ কিলোমিটার ইসিএ অঞ্চলে স্থাপিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশগত প্রভাব নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিরূপণ করা হবে। আদালতের নির্দেশ অনুসরণ করে পরবর্তীতে এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

এছাড়াও সভায় জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট বিধিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং এনজিও মিলিতভাবে প্রকল্প প্রস্তাব দিতে পারে। শব্দদূষণ রোধে নতুন কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে সব মন্ত্রণালয়ের মতামত গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এনফোর্সমেন্ট বাজেটে অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বন অধিদপ্তরের কর্মীদের ঝুঁকিভাতা চালু ও বৃদ্ধির সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।

২০২৫ সালের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি ভবন নির্মাণে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ ব্লক ব্যবহারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মে মাসে সচিব পর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীরপ্রতীক ফারুক ই আজম, কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সভায় অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড. ফাহমিদা খানম গত সভার সিদ্ধান্ত ও কার্যপত্র পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনা নিষিদ্ধ করল সরকার

আপডেট সময় ০৬:৪০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

 

সুন্দরবনের পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) অর্থাৎ ১০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে নতুন করে কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প গড়ে তোলা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। পরিবেশ রক্ষায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

সোমবার সচিবালয়ে জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন কমিটির নির্বাহী কমিটির ১৬তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিশিষ্ট পরিবেশবিদ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

আরও পড়ুন  সুন্দরবনে ট্রলারভর্তি হরিণ ধরার ফাঁদ জব্দ, পালিয়েছে শিকারিরা

সভায় ২০১৭ সালের জাতীয় পরিবেশ কমিটির ৩.৪.৪ ধারা এবং ২০২১ সালের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের মাধ্যমে সুন্দরবনের আশপাশের এলাকার পরিবেশগত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে সিদ্ধান্ত হয় ইতিমধ্যে ১০ কিলোমিটার ইসিএ অঞ্চলে স্থাপিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশগত প্রভাব নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিরূপণ করা হবে। আদালতের নির্দেশ অনুসরণ করে পরবর্তীতে এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

এছাড়াও সভায় জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট বিধিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং এনজিও মিলিতভাবে প্রকল্প প্রস্তাব দিতে পারে। শব্দদূষণ রোধে নতুন কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে সব মন্ত্রণালয়ের মতামত গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এনফোর্সমেন্ট বাজেটে অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বন অধিদপ্তরের কর্মীদের ঝুঁকিভাতা চালু ও বৃদ্ধির সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।

২০২৫ সালের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি ভবন নির্মাণে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ ব্লক ব্যবহারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মে মাসে সচিব পর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীরপ্রতীক ফারুক ই আজম, কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সভায় অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড. ফাহমিদা খানম গত সভার সিদ্ধান্ত ও কার্যপত্র পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরেন।