ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনা নিষিদ্ধ করল সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 428

ছবি সংগৃহীত

 

সুন্দরবনের পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) অর্থাৎ ১০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে নতুন করে কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প গড়ে তোলা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। পরিবেশ রক্ষায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

সোমবার সচিবালয়ে জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন কমিটির নির্বাহী কমিটির ১৬তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিশিষ্ট পরিবেশবিদ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

আরও পড়ুন  প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে দিচ্ছে সরকার

সভায় ২০১৭ সালের জাতীয় পরিবেশ কমিটির ৩.৪.৪ ধারা এবং ২০২১ সালের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের মাধ্যমে সুন্দরবনের আশপাশের এলাকার পরিবেশগত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে সিদ্ধান্ত হয় ইতিমধ্যে ১০ কিলোমিটার ইসিএ অঞ্চলে স্থাপিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশগত প্রভাব নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিরূপণ করা হবে। আদালতের নির্দেশ অনুসরণ করে পরবর্তীতে এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

এছাড়াও সভায় জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট বিধিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং এনজিও মিলিতভাবে প্রকল্প প্রস্তাব দিতে পারে। শব্দদূষণ রোধে নতুন কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে সব মন্ত্রণালয়ের মতামত গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এনফোর্সমেন্ট বাজেটে অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বন অধিদপ্তরের কর্মীদের ঝুঁকিভাতা চালু ও বৃদ্ধির সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।

২০২৫ সালের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি ভবন নির্মাণে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ ব্লক ব্যবহারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মে মাসে সচিব পর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীরপ্রতীক ফারুক ই আজম, কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সভায় অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড. ফাহমিদা খানম গত সভার সিদ্ধান্ত ও কার্যপত্র পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনা নিষিদ্ধ করল সরকার

আপডেট সময় ০৬:৪০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

 

সুন্দরবনের পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) অর্থাৎ ১০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে নতুন করে কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প গড়ে তোলা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। পরিবেশ রক্ষায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

সোমবার সচিবালয়ে জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন কমিটির নির্বাহী কমিটির ১৬তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিশিষ্ট পরিবেশবিদ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

আরও পড়ুন  সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ বাতিল, নতুন অধ্যাদেশ জারি করল সরকার

সভায় ২০১৭ সালের জাতীয় পরিবেশ কমিটির ৩.৪.৪ ধারা এবং ২০২১ সালের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের মাধ্যমে সুন্দরবনের আশপাশের এলাকার পরিবেশগত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে সিদ্ধান্ত হয় ইতিমধ্যে ১০ কিলোমিটার ইসিএ অঞ্চলে স্থাপিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশগত প্রভাব নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিরূপণ করা হবে। আদালতের নির্দেশ অনুসরণ করে পরবর্তীতে এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

এছাড়াও সভায় জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট বিধিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং এনজিও মিলিতভাবে প্রকল্প প্রস্তাব দিতে পারে। শব্দদূষণ রোধে নতুন কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে সব মন্ত্রণালয়ের মতামত গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এনফোর্সমেন্ট বাজেটে অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বন অধিদপ্তরের কর্মীদের ঝুঁকিভাতা চালু ও বৃদ্ধির সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।

২০২৫ সালের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি ভবন নির্মাণে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ ব্লক ব্যবহারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মে মাসে সচিব পর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীরপ্রতীক ফারুক ই আজম, কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সভায় অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড. ফাহমিদা খানম গত সভার সিদ্ধান্ত ও কার্যপত্র পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরেন।