ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 26

ছবি: সংগৃহীত

উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায়, ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়ক-সংলগ্ন নির্ধারিত জায়গায় এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণ হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি প্রকাশ পেয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে এই অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এর মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর ছাত্রছাত্রীরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণে বাড়তি সুযোগ পাবে।

দায়িত্বগ্রহণের পর এটাই নিজ জেলায় রাষ্ট্রপতির প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। দুই দিনব্যাপী সফরের শেষ দিনে তিনি এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি। তাকে বহনকারী হেলিকপ্টার অবতরণ করে শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে। এরপর রাষ্ট্রীয় রীতি মেনে তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং সার্কিট হাউসে প্রদান করা হয় গার্ড অব অনার।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় বিএনপির ৪ সিনিয়র নেতা

আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি নিজের বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করে তাদের জন্য দোয়া করেন। দিনের পরবর্তী অংশে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেন তিনি।

সংবর্ধনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই জেলা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছে এবং এখানকার মানুষের জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তিনি জানান, ইতোমধ্যে জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ শুরু হয়েছে, পাশাপাশি বিমানবন্দর নির্মাণের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।

তিনি আরও বলেন, বেকারত্ব হ্রাস ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা জরুরি। তরুণ প্রজন্মকে শুধু চাকরিমুখী না হয়ে নিজস্ব দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান।

বক্তব্যের শেষভাগে মির্জা ফখরুল একটি প্রেমময় ও শান্তিপূর্ণ দেশ-বিশ্ব গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০১:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায়, ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়ক-সংলগ্ন নির্ধারিত জায়গায় এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণ হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি প্রকাশ পেয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে এই অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এর মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর ছাত্রছাত্রীরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণে বাড়তি সুযোগ পাবে।

দায়িত্বগ্রহণের পর এটাই নিজ জেলায় রাষ্ট্রপতির প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। দুই দিনব্যাপী সফরের শেষ দিনে তিনি এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি। তাকে বহনকারী হেলিকপ্টার অবতরণ করে শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে। এরপর রাষ্ট্রীয় রীতি মেনে তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং সার্কিট হাউসে প্রদান করা হয় গার্ড অব অনার।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই দায়িত্ব পালন করব: রাষ্ট্রপতি

আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি নিজের বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করে তাদের জন্য দোয়া করেন। দিনের পরবর্তী অংশে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেন তিনি।

সংবর্ধনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই জেলা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছে এবং এখানকার মানুষের জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তিনি জানান, ইতোমধ্যে জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ শুরু হয়েছে, পাশাপাশি বিমানবন্দর নির্মাণের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।

তিনি আরও বলেন, বেকারত্ব হ্রাস ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা জরুরি। তরুণ প্রজন্মকে শুধু চাকরিমুখী না হয়ে নিজস্ব দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান।

বক্তব্যের শেষভাগে মির্জা ফখরুল একটি প্রেমময় ও শান্তিপূর্ণ দেশ-বিশ্ব গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।