ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

প্রধান উপদেষ্টার কাছে নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 401

ছবি সংগৃহীত

 

নারী অধিকার ও উন্নয়ন নিয়ে গঠিত নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।

শনিবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন কমিশনের সদস্যরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিশনের প্রধান শিরিন পারভীন হক এবং সদস্য মাহীন সুলতান, সারা হোসেন, ফৌজিয়া করিম ফিরোজ, কল্পনা আক্তার, ডা. হালিদা হানুম আক্তার, সুমাইয়া ইসলাম, নিরুপা দেওয়ান, ফেরদৌসী সুলতানা ও নিশিতা জামান নিহা।

আরও পড়ুন  ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আইএইএ’র প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করলো ইরান

নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ, সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং নীতিগত সংস্কারের লক্ষ্যে কমিশনটি কাজ করে আসছিল। জানা গেছে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে নারী অধিকার সংস্থা ‘নারীপক্ষ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শিরিন পারভীন হককে প্রধান করে ১০ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিশন গঠন করে সরকার। গঠনের পরই কমিশনকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট গবেষণা, পরামর্শ এবং সুপারিশসহ একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা তথ্য, সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত, এবং আইনগত পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে নারীর নিরাপত্তা, কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় নারীর পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে কমিশনের সদস্যরা তাদের কাজের প্রেক্ষাপট ও মূল সুপারিশগুলোর দিক নির্দেশনা তুলে ধরেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস কমিশনের কাজের প্রশংসা করেন এবং বলেন, “একটি উন্নত সমাজ গঠনে নারী অধিকার রক্ষার পথনকশা নির্ধারণে এই প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

প্রতিবেদনটি সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা।

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের এই প্রতিবেদনকে নারীর সার্বিক উন্নয়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধান উপদেষ্টার কাছে নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা

আপডেট সময় ০৭:৫১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

 

নারী অধিকার ও উন্নয়ন নিয়ে গঠিত নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।

শনিবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন কমিশনের সদস্যরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিশনের প্রধান শিরিন পারভীন হক এবং সদস্য মাহীন সুলতান, সারা হোসেন, ফৌজিয়া করিম ফিরোজ, কল্পনা আক্তার, ডা. হালিদা হানুম আক্তার, সুমাইয়া ইসলাম, নিরুপা দেওয়ান, ফেরদৌসী সুলতানা ও নিশিতা জামান নিহা।

আরও পড়ুন  সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট ভবনের কাছে ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে

নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ, সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং নীতিগত সংস্কারের লক্ষ্যে কমিশনটি কাজ করে আসছিল। জানা গেছে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে নারী অধিকার সংস্থা ‘নারীপক্ষ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শিরিন পারভীন হককে প্রধান করে ১০ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিশন গঠন করে সরকার। গঠনের পরই কমিশনকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট গবেষণা, পরামর্শ এবং সুপারিশসহ একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা তথ্য, সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত, এবং আইনগত পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে নারীর নিরাপত্তা, কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় নারীর পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে কমিশনের সদস্যরা তাদের কাজের প্রেক্ষাপট ও মূল সুপারিশগুলোর দিক নির্দেশনা তুলে ধরেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস কমিশনের কাজের প্রশংসা করেন এবং বলেন, “একটি উন্নত সমাজ গঠনে নারী অধিকার রক্ষার পথনকশা নির্ধারণে এই প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

প্রতিবেদনটি সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা।

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের এই প্রতিবেদনকে নারীর সার্বিক উন্নয়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।