ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন

মোংলায় বাণিজ্যিক জাহাজে চুরির পরিকল্পনা: অস্ত্র-ইয়াবাসহ ‘সুমন বাহিনীর’ ৫ সদস্য আটক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • / 493

ছবি সংগৃহীত

 

বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে চুরির প্রস্তুতিকালে কুখ্যাত ‘সুমন বাহিনী’র পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। শুক্রবার বিকেলে মোংলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন ভদ্রা নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১২টি দেশীয় অস্ত্র, ৯ পিস ইয়াবা ও ২৫ গ্রাম গাঁজা। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। শনিবার কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

আরও পড়ুন  মোহাম্মদপুরে গুলি ও পিটিয়ে দুইজনকে হত্যা, আটক ২ জন

আটক ব্যক্তিরা হলেন মোংলার মো. জনি (১৯), মো. আলিরাজ (২৫), স্বপন মুন্সি (৪০) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার মো. আজিম (২৬) ও মো. মেজবাহ (১৯)। তারা সবাই দীর্ঘদিন ধরে চুরি ও মাদক সংশ্লিষ্ট নানা অপরাধে জড়িত বলে জানা গেছে।

কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “গোপন তথ্য ছিল যে ‘সুমন বাহিনীর’ সদস্যরা একটি বাণিজ্যিক জাহাজে চুরির উদ্দেশ্যে হারবারিয়ার দিকে যাচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের টিম ভদ্রা নদীর কাছে অবস্থান নেয় এবং একটি সন্দেহজনক নৌকা তল্লাশি করে। তল্লাশিকালে দেশীয় অস্ত্র, মাদকসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়।”

তিনি আরও জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মোংলা ও কয়রা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তারা এলাকায় ছিনতাই, মাদক ব্যবসা ও চুরির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং আটককৃতদের মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে চোরচালান ও জলদস্যু তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে কোস্টগার্ড। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দর ও নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মোংলায় বাণিজ্যিক জাহাজে চুরির পরিকল্পনা: অস্ত্র-ইয়াবাসহ ‘সুমন বাহিনীর’ ৫ সদস্য আটক

আপডেট সময় ০৫:৩২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে চুরির প্রস্তুতিকালে কুখ্যাত ‘সুমন বাহিনী’র পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। শুক্রবার বিকেলে মোংলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন ভদ্রা নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১২টি দেশীয় অস্ত্র, ৯ পিস ইয়াবা ও ২৫ গ্রাম গাঁজা। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। শনিবার কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

আরও পড়ুন  ফেনী সীমান্তে বিএসএফ-এর পুশইন, ৬ পরিবারের ২৭ জন আটক

আটক ব্যক্তিরা হলেন মোংলার মো. জনি (১৯), মো. আলিরাজ (২৫), স্বপন মুন্সি (৪০) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার মো. আজিম (২৬) ও মো. মেজবাহ (১৯)। তারা সবাই দীর্ঘদিন ধরে চুরি ও মাদক সংশ্লিষ্ট নানা অপরাধে জড়িত বলে জানা গেছে।

কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “গোপন তথ্য ছিল যে ‘সুমন বাহিনীর’ সদস্যরা একটি বাণিজ্যিক জাহাজে চুরির উদ্দেশ্যে হারবারিয়ার দিকে যাচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের টিম ভদ্রা নদীর কাছে অবস্থান নেয় এবং একটি সন্দেহজনক নৌকা তল্লাশি করে। তল্লাশিকালে দেশীয় অস্ত্র, মাদকসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়।”

তিনি আরও জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মোংলা ও কয়রা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তারা এলাকায় ছিনতাই, মাদক ব্যবসা ও চুরির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং আটককৃতদের মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে চোরচালান ও জলদস্যু তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে কোস্টগার্ড। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দর ও নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।