ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের সংস্কার কর্মসূচিতে দৃঢ় সমর্থন দেবে বিশ্বব্যাংক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 540

ছবি সংগৃহীত

 

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কর্মসূচির প্রতি তাদের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠককালে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার এ প্রতিশ্রুতি দেন।

বৈঠকে কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গৃহীত সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রেইজার বলেন, ‘‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, ভবিষ্যৎ সরকার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য এই সংস্কারগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো জনগণ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা বাড়াতে সহায়তা করবে।’’

আরও পড়ুন  শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক সচেতনতায় ডিএমপির বিশেষ কর্মসূচি

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় কর নীতি ও প্রশাসনের পৃথকীকরণ, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। রেইজার বলেন, ‘‘কর রেয়াত ও ছাড়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র কর্তৃপক্ষ হওয়া উচিত সংসদ, যাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় থাকে।’’

প্রধান উপদেষ্টা জানান, সংস্কারের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য নিশ্চিত করতে ‘ঐকমত্য কমিশন’ গঠন করা হয়েছে। দলগুলো একমত হলে, তারা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে, যা অন্তর্বর্তীকালীন ও পরবর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে।

বৈঠকে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ডিজিটালাইজেশন কর্মসূচির অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। বিশ্বব্যাংক ঢাকা শহরকে শক্তিশালী ডিজিটাল পরিচয় অবকাঠামোর সাথে সংযুক্ত করতে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেন রেইজার।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সংস্কার কর্মসূচিতে দৃঢ় সমর্থন দেবে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ১১:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কর্মসূচির প্রতি তাদের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠককালে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার এ প্রতিশ্রুতি দেন।

বৈঠকে কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গৃহীত সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রেইজার বলেন, ‘‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, ভবিষ্যৎ সরকার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য এই সংস্কারগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো জনগণ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা বাড়াতে সহায়তা করবে।’’

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩.৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় কর নীতি ও প্রশাসনের পৃথকীকরণ, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। রেইজার বলেন, ‘‘কর রেয়াত ও ছাড়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র কর্তৃপক্ষ হওয়া উচিত সংসদ, যাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় থাকে।’’

প্রধান উপদেষ্টা জানান, সংস্কারের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য নিশ্চিত করতে ‘ঐকমত্য কমিশন’ গঠন করা হয়েছে। দলগুলো একমত হলে, তারা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে, যা অন্তর্বর্তীকালীন ও পরবর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে।

বৈঠকে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ডিজিটালাইজেশন কর্মসূচির অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। বিশ্বব্যাংক ঢাকা শহরকে শক্তিশালী ডিজিটাল পরিচয় অবকাঠামোর সাথে সংযুক্ত করতে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেন রেইজার।