ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

সস্তা ড্রোনে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ: ব্যয়ের অসমতায় চাপে প্রচলিত শক্তি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • / 159

ছবি সংগৃহীত

 

কম খরচের ড্রোন প্রযুক্তি আধুনিক যুদ্ধের চেহারা দ্রুত বদলে দিচ্ছে। তুলনামূলকভাবে সস্তা এই অস্ত্র এখন প্রচলিত সামরিক শ্রেষ্ঠত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে এবং যুদ্ধের অর্থনৈতিক ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে।

বিশেষ করে ইরান-এর ব্যবহৃত গণহারে ড্রোন হামলা নতুন এই কৌশলের বাস্তব উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এক সপ্তাহে হাজারের বেশি ড্রোন ব্যবহার করে একযোগে আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চাপে ফেলে অকার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বৈশ্বিক ড্রোন বিক্রি বাড়াতে ১৯৮৭ সালের ব্যাখ্যা পরিবর্তন করছে যুক্তরাষ্ট্র

এ ক্ষেত্রে ব্যয়ের দিক থেকে বড় বৈষম্য স্পষ্ট। একটি ড্রোন তৈরিতে যেখানে আনুমানিক ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার খরচ হয়, সেখানে একটি ড্রোন প্রতিহত করতে ব্যবহৃত প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের খরচ ৩০ লাখ ডলারেরও বেশি। ফলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।

এই বাস্তবতায় মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতি ব্যয়ের দিক থেকে মোটেও টেকসই নয়।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও উন্নতমানের যুদ্ধবিমান যেমন F-35 Lightning II এবং B-2 Spirit-এর ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে প্রায় ২০০টি যুদ্ধবিমান মোতায়েন রেখেছে দেশটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

সস্তা ড্রোনে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ: ব্যয়ের অসমতায় চাপে প্রচলিত শক্তি

আপডেট সময় ১০:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

 

কম খরচের ড্রোন প্রযুক্তি আধুনিক যুদ্ধের চেহারা দ্রুত বদলে দিচ্ছে। তুলনামূলকভাবে সস্তা এই অস্ত্র এখন প্রচলিত সামরিক শ্রেষ্ঠত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে এবং যুদ্ধের অর্থনৈতিক ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে।

বিশেষ করে ইরান-এর ব্যবহৃত গণহারে ড্রোন হামলা নতুন এই কৌশলের বাস্তব উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এক সপ্তাহে হাজারের বেশি ড্রোন ব্যবহার করে একযোগে আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চাপে ফেলে অকার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বড়সড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ব্রিটেন? জেট ও বিস্ফোরকে বাড়ছে বিনিয়োগ

এ ক্ষেত্রে ব্যয়ের দিক থেকে বড় বৈষম্য স্পষ্ট। একটি ড্রোন তৈরিতে যেখানে আনুমানিক ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার খরচ হয়, সেখানে একটি ড্রোন প্রতিহত করতে ব্যবহৃত প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের খরচ ৩০ লাখ ডলারেরও বেশি। ফলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।

এই বাস্তবতায় মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতি ব্যয়ের দিক থেকে মোটেও টেকসই নয়।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও উন্নতমানের যুদ্ধবিমান যেমন F-35 Lightning II এবং B-2 Spirit-এর ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে প্রায় ২০০টি যুদ্ধবিমান মোতায়েন রেখেছে দেশটি।