ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

প্রখ্যাত তেলেগু অভিনেতা কোটা শ্রীনিবাস রাও আর নেই, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 331

ছবি সংগৃহীত

 

 

তেলেগু চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক কোটা শ্রীনিবাস রাও আর নেই। রোববার (১৩ জুলাই) ভোররাতে হায়দরাবাদের ফিল্মনগর এলাকায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন এই বরেণ্য অভিনেতা।

আরও পড়ুন  জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে প্রথমবারের মতো সম্মানিত শাহরুখ খান, ভক্তদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা

কোটা রেখে গেছেন স্ত্রী রুক্মিণী ও দুই কন্যাকে। তার একমাত্র পুত্র কোটা প্রসাদ রাও ২০১০ সালে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

ভিলেন, চরিত্রাভিনেতা কিংবা কমেডিয়ান প্রতিটি রূপেই তেলেগু সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয় জয় করেছিলেন কোটা শ্রীনিবাস রাও। তেলেগু ছাড়াও তিনি তামিল, হিন্দি, কন্নড় ও মালয়ালম ভাষার ছবিতে অভিনয় করেন। প্রায় ৭৫০টি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি, যার মধ্যে তামিল ভাষায় ৩০টি, হিন্দিতে ১০টি, কন্নড়ে ৮টি এবং একটি মালয়ালম চলচ্চিত্র রয়েছে। তার শেষ তেলেগু সিনেমা ‘সুবর্ণ সুন্দরী’ মুক্তি পেয়েছিল ২০২৩ সালে।

১৯৪২ সালের ১০ জুলাই অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলার কাঙ্কিপাড়ু গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কোটা। তার মা কোটা সীতারামা অনসূইয়াম্মা ছোটবেলা থেকেই তার অভিনয়ের প্রতি আগ্রহকে উৎসাহ দিয়ে গেছেন। ছাত্রজীবনেই থিয়েটারে অভিনয় শুরু করেন তিনি।

চলচ্চিত্রে আসার আগে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াতে চাকরি করতেন কোটা এবং সেই সঙ্গে থিয়েটারেও নিয়মিতভাবে অভিনয় করতেন। ১৯৭৮ সালে ‘প্রাণম খারেদু’ ছবির মাধ্যমে তেলেগু সিনেমায় তার অভিষেক ঘটে।

অভিনয়ে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি ৯টি নন্দী পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাকে পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি।

চলচ্চিত্রের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন কোটা। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী হিসেবে ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিজয়ওয়াড়া (পূর্ব) বিধানসভা আসনের এমএলএ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কোটা শ্রীনিবাস রাওয়ের মৃত্যুতে তেলেগু চলচ্চিত্র শিল্পে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ভারতীয় সিনেমা ও সংস্কৃতির অঙ্গনে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রখ্যাত তেলেগু অভিনেতা কোটা শ্রীনিবাস রাও আর নেই, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া

আপডেট সময় ১১:২৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

 

তেলেগু চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক কোটা শ্রীনিবাস রাও আর নেই। রোববার (১৩ জুলাই) ভোররাতে হায়দরাবাদের ফিল্মনগর এলাকায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন এই বরেণ্য অভিনেতা।

আরও পড়ুন  বিচ্ছেদের এক মাস পর সুদীপের প্রাক্তনের বড় সিদ্ধান্ত

কোটা রেখে গেছেন স্ত্রী রুক্মিণী ও দুই কন্যাকে। তার একমাত্র পুত্র কোটা প্রসাদ রাও ২০১০ সালে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

ভিলেন, চরিত্রাভিনেতা কিংবা কমেডিয়ান প্রতিটি রূপেই তেলেগু সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয় জয় করেছিলেন কোটা শ্রীনিবাস রাও। তেলেগু ছাড়াও তিনি তামিল, হিন্দি, কন্নড় ও মালয়ালম ভাষার ছবিতে অভিনয় করেন। প্রায় ৭৫০টি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি, যার মধ্যে তামিল ভাষায় ৩০টি, হিন্দিতে ১০টি, কন্নড়ে ৮টি এবং একটি মালয়ালম চলচ্চিত্র রয়েছে। তার শেষ তেলেগু সিনেমা ‘সুবর্ণ সুন্দরী’ মুক্তি পেয়েছিল ২০২৩ সালে।

১৯৪২ সালের ১০ জুলাই অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলার কাঙ্কিপাড়ু গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কোটা। তার মা কোটা সীতারামা অনসূইয়াম্মা ছোটবেলা থেকেই তার অভিনয়ের প্রতি আগ্রহকে উৎসাহ দিয়ে গেছেন। ছাত্রজীবনেই থিয়েটারে অভিনয় শুরু করেন তিনি।

চলচ্চিত্রে আসার আগে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াতে চাকরি করতেন কোটা এবং সেই সঙ্গে থিয়েটারেও নিয়মিতভাবে অভিনয় করতেন। ১৯৭৮ সালে ‘প্রাণম খারেদু’ ছবির মাধ্যমে তেলেগু সিনেমায় তার অভিষেক ঘটে।

অভিনয়ে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি ৯টি নন্দী পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাকে পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি।

চলচ্চিত্রের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন কোটা। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী হিসেবে ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিজয়ওয়াড়া (পূর্ব) বিধানসভা আসনের এমএলএ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কোটা শ্রীনিবাস রাওয়ের মৃত্যুতে তেলেগু চলচ্চিত্র শিল্পে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ভারতীয় সিনেমা ও সংস্কৃতির অঙ্গনে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।