ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

সিলেট-সুনামগঞ্জ সীমান্তে ফের পুশইন, আটক ৮০ নারী-পুরুষ-শিশু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / 614

ছবি: সংগৃহীত

 

সিলেট ও সুনামগঞ্জের চারটি সীমান্ত দিয়ে ফের পুশইনের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৭ মে) গভীর রাতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ৮০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয় বলে নিশ্চিত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবি সদস্যরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামপুঞ্জি সীমান্ত দিয়ে প্রথম দফায় ৩২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয় বিএসএফ। তাদের মধ্যে ৩ জন শিশু, ১২ জন নারী ও ১৭ জন পুরুষ রয়েছেন। সতর্ক অবস্থানে থাকা শ্রীপুর বিওপির বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে সবাইকে দ্রুত আটক করেন।

আরও পড়ুন  সিলেটে মাঝরাতে ভূমিকম্প, আতঙ্কে কিছু বাসিন্দা

এর কিছু সময় পর একই উপজেলার মিনাটিলা সীমান্ত দিয়েও আরও ২০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে পুশইন করা হয়। মিনাটিলা বিওপির সদস্যরাও তাদের আটক করতে সক্ষম হন।

অন্যদিকে, সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে পুশইন করা হয় ১২ জনকে এবং সুনামগঞ্জের নোয়াকোট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয় আরও ১৬ জনকে। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার রাতে চারটি সীমান্ত দিয়ে মোট ৮০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়।

বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, আটককৃতদের পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই শেষে তাদের আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে গত ১৪ মে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ১৬ জন, ২৪ মে একই সীমান্ত দিয়ে ২১ জন এবং ২৫ মে বিয়ানীবাজার সীমান্ত দিয়ে আরও ৩২ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়েছিল।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। পুশইন ঠেকাতে ও সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

এই ধরনের পুশইনের ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেট-সুনামগঞ্জ সীমান্তে ফের পুশইন, আটক ৮০ নারী-পুরুষ-শিশু

আপডেট সময় ১০:৫৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

 

সিলেট ও সুনামগঞ্জের চারটি সীমান্ত দিয়ে ফের পুশইনের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৭ মে) গভীর রাতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ৮০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয় বলে নিশ্চিত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবি সদস্যরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামপুঞ্জি সীমান্ত দিয়ে প্রথম দফায় ৩২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয় বিএসএফ। তাদের মধ্যে ৩ জন শিশু, ১২ জন নারী ও ১৭ জন পুরুষ রয়েছেন। সতর্ক অবস্থানে থাকা শ্রীপুর বিওপির বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে সবাইকে দ্রুত আটক করেন।

আরও পড়ুন  ভারত থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় আফ্রিকান নারী আটক: বিজিবি

এর কিছু সময় পর একই উপজেলার মিনাটিলা সীমান্ত দিয়েও আরও ২০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে পুশইন করা হয়। মিনাটিলা বিওপির সদস্যরাও তাদের আটক করতে সক্ষম হন।

অন্যদিকে, সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে পুশইন করা হয় ১২ জনকে এবং সুনামগঞ্জের নোয়াকোট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয় আরও ১৬ জনকে। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার রাতে চারটি সীমান্ত দিয়ে মোট ৮০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়।

বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, আটককৃতদের পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই শেষে তাদের আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে গত ১৪ মে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ১৬ জন, ২৪ মে একই সীমান্ত দিয়ে ২১ জন এবং ২৫ মে বিয়ানীবাজার সীমান্ত দিয়ে আরও ৩২ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়েছিল।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। পুশইন ঠেকাতে ও সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

এই ধরনের পুশইনের ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।