ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ বিন সালমান ত্রুটি-বিচ্যুতি খুঁজে বের করুন, শুধু ভিউর জন্য সমালোচনা নয়: সেতুমন্ত্রী বদলে গেল এয়ারটেলের নাম, নতুন পরিচয় ‘সার্কেল’ এ বছরের মধ্যেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী ৬ মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ভারতীয় ৪৫৯৬ নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে, তবে জনপ্রত্যাশা পূরণ হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “ট্রেন কেড়ে নিয়েছিল দুই পা, হার মানাতে পারেনি মানিক মিয়াকে” সন্ধ্যার মধ্যে ১০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস পে-স্কেলসহ ছয় মাসের কর্মকাণ্ড জানালেন মাহদী আমিন মানবতাবিরোধী অপরাধের মা*ম*লায় তিন সাংবাদিককে আসামি করা হচ্ছে

সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ১১৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • / 519

ছবি সংগৃহীত

 

ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি। বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির রিজিওনাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুমায়ন কবির এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার আহসান হাবিব।

আরও পড়ুন  চোরাচালান বিরোধী অভিযানে বিজিবি, ডিসেম্বরে ১৪৭ কোটি টাকার পণ্য উদ্ধার

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল ২৫ হাজার ৮১৩ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ৩৮ হাজার ৯৮০ বোতল বিদেশি মদ, ১৩০ কেজি গাঁজা, ৬৫ হাজার ১৭৪ পিস ইয়াবা, ৩৭ কেজি হেরোইন, ৭৯ কেজি কোকেন, ৭ কেজি এলএসডি, ২৯ বোতল এবং ২১ হাজার ৩১৬ পিস ভায়াগ্রা ট্যাবলেট। এছাড়া ছিল ৯ হাজার ৮৪৫ পিস ভারতীয় ওষুধ এবং ৯ হাজার ৯৬০ পিস বাংলাদেশি ওষুধ।

মাদকদ্রব্য ধ্বংসকালে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, এসব উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১১৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, “দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সীমান্তে আমাদের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। মাদক চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে বিজিবির এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ধ্বংস কার্যক্রমটি ছিল প্রতীকীভাবে মাদকবিরোধী বার্তা পৌঁছে দেওয়ার একটি শক্তিশালী উদ্যোগ।

উল্লেখ্য, সীমান্ত অঞ্চলে মাদক পাচার রোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। এরই অংশ হিসেবে এসব মাদকদ্রব্য বিভিন্ন সময়ে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। বিজিবির এ ধরনের পদক্ষেপে সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ১১৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি

আপডেট সময় ০৫:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

 

ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি। বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির রিজিওনাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুমায়ন কবির এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার আহসান হাবিব।

আরও পড়ুন  নয়াদিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন: বিজিবির দাবি, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসা হোক

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল ২৫ হাজার ৮১৩ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ৩৮ হাজার ৯৮০ বোতল বিদেশি মদ, ১৩০ কেজি গাঁজা, ৬৫ হাজার ১৭৪ পিস ইয়াবা, ৩৭ কেজি হেরোইন, ৭৯ কেজি কোকেন, ৭ কেজি এলএসডি, ২৯ বোতল এবং ২১ হাজার ৩১৬ পিস ভায়াগ্রা ট্যাবলেট। এছাড়া ছিল ৯ হাজার ৮৪৫ পিস ভারতীয় ওষুধ এবং ৯ হাজার ৯৬০ পিস বাংলাদেশি ওষুধ।

মাদকদ্রব্য ধ্বংসকালে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, এসব উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১১৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, “দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সীমান্তে আমাদের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। মাদক চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে বিজিবির এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ধ্বংস কার্যক্রমটি ছিল প্রতীকীভাবে মাদকবিরোধী বার্তা পৌঁছে দেওয়ার একটি শক্তিশালী উদ্যোগ।

উল্লেখ্য, সীমান্ত অঞ্চলে মাদক পাচার রোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। এরই অংশ হিসেবে এসব মাদকদ্রব্য বিভিন্ন সময়ে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। বিজিবির এ ধরনের পদক্ষেপে সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।