ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে শত বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের প্রতিকৃতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির রেকর্ড স্মৃতি মন্ধানার কিংবদন্তি গাজী মাজহারুলের প্রয়াণ দিবস আজ নেপালে বন্যার ৯ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে জীবিত উদ্ধার ২ নাইজেরিয়ায় তেল চুরির ভয়াবহ পরিণতি, নিহত ৪৩ বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা, জানাল আবহাওয়া অফিস

আফগানিস্তানে হিন্দুকুশ অঞ্চলে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত 

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 569

ছবি সংগৃহীত

 

আফগানিস্তানে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে হিন্দুকুশ পর্বতাঞ্চল। বুধবার (১৬ এপ্রিল) ভোররাতের দিকে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৪। উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২১ কিলোমিটার গভীরে, যা একে গভীর ভূমিকম্প হিসেবে চিহ্নিত করে।

আরও পড়ুন  ভূমিকম্পের ৮ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার

ভোররাতে ঘুম ভাঙা কম্পনের এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত হলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে নেপালে এবং রাতে তিব্বতে মাঝারি মাত্রার দুইটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এসব ভূমিকম্পেও এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি, তবে স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিন্দুকুশ অঞ্চলটি একটি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। এখানে নিয়মিতভাবে টেকটনিক প্লেটের সক্রিয় গতিবিধির কারণে মাঝারি থেকে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়ে থাকে। গভীরতায় উৎপন্ন হওয়ায় অনেক সময় এসব ভূমিকম্পের প্রভাব আশেপাশের দেশগুলোতেও অনুভূত হয়।

আফগানিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য জানার জন্য পর্যালোচনা চলছে। স্থানীয়দের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে তারা।

উল্লেখ্য, হিন্দুকুশ এলাকা ইতিপূর্বেও একাধিক মারাত্মক ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতা বহন করেছে। ভূকম্পন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘন ঘন এমন কম্পন ভবিষ্যতে বড় বিপদের পূর্বাভাস হতে পারে। তাই জনসচেতনতা ও পূর্ব প্রস্তুতির ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

বর্তমানে ভূমিকম্পটির পরবর্তী প্রভাব ও সম্ভাব্য আফটারশক পর্যবেক্ষণে রয়েছে সিসমোলজিক্যাল কেন্দ্রগুলো। স্থানীয় প্রশাসন এবং জরুরি সেবাসংস্থাগুলো প্রস্তুত রয়েছে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আফগানিস্তানে হিন্দুকুশ অঞ্চলে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত 

আপডেট সময় ০১:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

আফগানিস্তানে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে হিন্দুকুশ পর্বতাঞ্চল। বুধবার (১৬ এপ্রিল) ভোররাতের দিকে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৪। উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২১ কিলোমিটার গভীরে, যা একে গভীর ভূমিকম্প হিসেবে চিহ্নিত করে।

আরও পড়ুন  তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানি ৫৩, আহত অর্ধশতাধিক

ভোররাতে ঘুম ভাঙা কম্পনের এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত হলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে নেপালে এবং রাতে তিব্বতে মাঝারি মাত্রার দুইটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এসব ভূমিকম্পেও এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি, তবে স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিন্দুকুশ অঞ্চলটি একটি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। এখানে নিয়মিতভাবে টেকটনিক প্লেটের সক্রিয় গতিবিধির কারণে মাঝারি থেকে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়ে থাকে। গভীরতায় উৎপন্ন হওয়ায় অনেক সময় এসব ভূমিকম্পের প্রভাব আশেপাশের দেশগুলোতেও অনুভূত হয়।

আফগানিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য জানার জন্য পর্যালোচনা চলছে। স্থানীয়দের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে তারা।

উল্লেখ্য, হিন্দুকুশ এলাকা ইতিপূর্বেও একাধিক মারাত্মক ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতা বহন করেছে। ভূকম্পন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘন ঘন এমন কম্পন ভবিষ্যতে বড় বিপদের পূর্বাভাস হতে পারে। তাই জনসচেতনতা ও পূর্ব প্রস্তুতির ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

বর্তমানে ভূমিকম্পটির পরবর্তী প্রভাব ও সম্ভাব্য আফটারশক পর্যবেক্ষণে রয়েছে সিসমোলজিক্যাল কেন্দ্রগুলো। স্থানীয় প্রশাসন এবং জরুরি সেবাসংস্থাগুলো প্রস্তুত রয়েছে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায়।