ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ সরকারের মূল নীতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নরসিংদীতে ছুরিকাঘাতে পিতাকে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে পলাতক নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মাতুয়াইল ভাগাড়ে ময়লা পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ,কঠোর অবস্থানে সরকার: পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 565

ছবি সংগৃহীত

 

 

রাজধানীর মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল এলাকায় কোনোভাবেই ময়লা পোড়ানো যাবে না এই মর্মে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ভাগাড়ে ব্যাটারি পোড়ানো বা ব্যাটারির সিসা আলাদা করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে ফের সতর্ক করলেন তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে মাতুয়াইল ভাগাড় এলাকা পরিদর্শনে এসে পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, এলাকাবাসীর জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা বিবেচনায় রেখে শিগগিরই কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, “মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ। এখানে নিয়ম না মেনে ময়লা পোড়ানো হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এ অনিয়ম আর চলবে না।”

উপদেষ্টা আরও জানান, “ভাগাড় পুরোপুরি স্থানান্তর সময়সাপেক্ষ হলেও, ততদিন পর্যন্ত এর পরিবেশগত ক্ষতি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আশপাশের দুটি স্টিলমিল থেকেও বায়ু দূষণ হচ্ছে সেগুলো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ঢাকার বায়ুমান উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এই কমিটি দ্রুত বাস্তবমুখী সুপারিশ দেবে এবং তার আলোকে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে, মাতুয়াইল ভাগাড়ে ময়লা ও ব্যাটারি পোড়ানোয় বায়ু দুষণ বেড়েছে, শিশুরা অসুস্থ হচ্ছে, এবং বাসযোগ্য পরিবেশ ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। সরকারিভাবে এ বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়ায় কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ঢাকার বায়ুমান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে। পাশাপাশি রাজধানীবাসীর স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস পাবে।

সরকারের এই উদ্যোগ যেন কেবল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং বাস্তবায়নেই যেন প্রতিফলিত হয় এটাই এখন নগরবাসীর প্রত্যাশা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাতুয়াইল ভাগাড়ে ময়লা পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ,কঠোর অবস্থানে সরকার: পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৫:১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

 

 

রাজধানীর মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল এলাকায় কোনোভাবেই ময়লা পোড়ানো যাবে না এই মর্মে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ভাগাড়ে ব্যাটারি পোড়ানো বা ব্যাটারির সিসা আলাদা করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আরও পড়ুন  প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে দিচ্ছে সরকার

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে মাতুয়াইল ভাগাড় এলাকা পরিদর্শনে এসে পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, এলাকাবাসীর জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা বিবেচনায় রেখে শিগগিরই কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, “মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ। এখানে নিয়ম না মেনে ময়লা পোড়ানো হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এ অনিয়ম আর চলবে না।”

উপদেষ্টা আরও জানান, “ভাগাড় পুরোপুরি স্থানান্তর সময়সাপেক্ষ হলেও, ততদিন পর্যন্ত এর পরিবেশগত ক্ষতি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আশপাশের দুটি স্টিলমিল থেকেও বায়ু দূষণ হচ্ছে সেগুলো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ঢাকার বায়ুমান উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এই কমিটি দ্রুত বাস্তবমুখী সুপারিশ দেবে এবং তার আলোকে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে, মাতুয়াইল ভাগাড়ে ময়লা ও ব্যাটারি পোড়ানোয় বায়ু দুষণ বেড়েছে, শিশুরা অসুস্থ হচ্ছে, এবং বাসযোগ্য পরিবেশ ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। সরকারিভাবে এ বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়ায় কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ঢাকার বায়ুমান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে। পাশাপাশি রাজধানীবাসীর স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস পাবে।

সরকারের এই উদ্যোগ যেন কেবল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং বাস্তবায়নেই যেন প্রতিফলিত হয় এটাই এখন নগরবাসীর প্রত্যাশা।