ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

মাতুয়াইল ভাগাড়ে ময়লা পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ,কঠোর অবস্থানে সরকার: পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 482

ছবি সংগৃহীত

 

 

রাজধানীর মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল এলাকায় কোনোভাবেই ময়লা পোড়ানো যাবে না এই মর্মে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ভাগাড়ে ব্যাটারি পোড়ানো বা ব্যাটারির সিসা আলাদা করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আরও পড়ুন  সরকার গঠন করলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে মাতুয়াইল ভাগাড় এলাকা পরিদর্শনে এসে পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, এলাকাবাসীর জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা বিবেচনায় রেখে শিগগিরই কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, “মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ। এখানে নিয়ম না মেনে ময়লা পোড়ানো হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এ অনিয়ম আর চলবে না।”

উপদেষ্টা আরও জানান, “ভাগাড় পুরোপুরি স্থানান্তর সময়সাপেক্ষ হলেও, ততদিন পর্যন্ত এর পরিবেশগত ক্ষতি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আশপাশের দুটি স্টিলমিল থেকেও বায়ু দূষণ হচ্ছে সেগুলো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ঢাকার বায়ুমান উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এই কমিটি দ্রুত বাস্তবমুখী সুপারিশ দেবে এবং তার আলোকে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে, মাতুয়াইল ভাগাড়ে ময়লা ও ব্যাটারি পোড়ানোয় বায়ু দুষণ বেড়েছে, শিশুরা অসুস্থ হচ্ছে, এবং বাসযোগ্য পরিবেশ ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। সরকারিভাবে এ বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়ায় কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ঢাকার বায়ুমান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে। পাশাপাশি রাজধানীবাসীর স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস পাবে।

সরকারের এই উদ্যোগ যেন কেবল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং বাস্তবায়নেই যেন প্রতিফলিত হয় এটাই এখন নগরবাসীর প্রত্যাশা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাতুয়াইল ভাগাড়ে ময়লা পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ,কঠোর অবস্থানে সরকার: পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৫:১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

 

 

রাজধানীর মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল এলাকায় কোনোভাবেই ময়লা পোড়ানো যাবে না এই মর্মে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ভাগাড়ে ব্যাটারি পোড়ানো বা ব্যাটারির সিসা আলাদা করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আরও পড়ুন  নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে মাতুয়াইল ভাগাড় এলাকা পরিদর্শনে এসে পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, এলাকাবাসীর জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা বিবেচনায় রেখে শিগগিরই কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, “মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ। এখানে নিয়ম না মেনে ময়লা পোড়ানো হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এ অনিয়ম আর চলবে না।”

উপদেষ্টা আরও জানান, “ভাগাড় পুরোপুরি স্থানান্তর সময়সাপেক্ষ হলেও, ততদিন পর্যন্ত এর পরিবেশগত ক্ষতি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আশপাশের দুটি স্টিলমিল থেকেও বায়ু দূষণ হচ্ছে সেগুলো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ঢাকার বায়ুমান উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এই কমিটি দ্রুত বাস্তবমুখী সুপারিশ দেবে এবং তার আলোকে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে, মাতুয়াইল ভাগাড়ে ময়লা ও ব্যাটারি পোড়ানোয় বায়ু দুষণ বেড়েছে, শিশুরা অসুস্থ হচ্ছে, এবং বাসযোগ্য পরিবেশ ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। সরকারিভাবে এ বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়ায় কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ঢাকার বায়ুমান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে। পাশাপাশি রাজধানীবাসীর স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস পাবে।

সরকারের এই উদ্যোগ যেন কেবল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং বাস্তবায়নেই যেন প্রতিফলিত হয় এটাই এখন নগরবাসীর প্রত্যাশা।