ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

মলদোভা—ইউরোপের শান্ত গ্রাম্য সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যের দেশ

এসকে. এ সাকুর (উল্লাস)
  • আপডেট সময় ০৬:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 92

ছবি সংগৃহীত

পূর্ব ইউরোপের একটি ছোট স্থলবেষ্টিত দেশ মলদোভা। এর আয়তন প্রায় ৩৩ হাজার বর্গকিলোমিটার। রোমানিয়া ও ইউক্রেনের মাঝে অবস্থিত এই দেশটির রাজধানী কিশিনাউ—যা দেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

ইতিহাসের দিক থেকে মলদোভা বহুবার বিভিন্ন সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। একসময় এটি রুশ সাম্রাজ্য এবং পরে সোভিয়েত ইউনিয়ন-এর অংশ ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে।

রাজনৈতিকভাবে মলদোভা একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। তবে রাজনৈতিক বিভাজন এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ দেশটির উন্নয়নে প্রভাব ফেলে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার চেষ্টা চললেও দেশটিতে রাশিয়ার প্রভাবও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আরও পড়ুন  ইউরোপের অভ্যন্তরীণ সংকট নিয়ে ভ্যান্সের হুঁশিয়ারি “বাইরের নয়, ইউরোপের আসল হুমকি ভেতর থেকেই”

মলদোভা তার কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি ও আঙুরক্ষেতের জন্য পরিচিত। বিশেষ করে ওয়াইন উৎপাদনে দেশটির দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। এখানকার বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ ও গ্রামীণ পরিবেশ দেশটিকে আলাদা সৌন্দর্য দিয়েছে।

নাগরিক জীবনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি হলেও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে চলে যায়।ধর্মীয়ভাবে অধিকাংশ মানুষ অর্থোডক্স খ্রিস্টান। ধর্মীয় ঐতিহ্য সমাজজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে মলদোভা তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত হলেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আঙুরবাগান, ঐতিহাসিক মঠ এবং শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ পর্যটকদের আকর্ষণ করে। বিশেষ করে ক্রিকোভা ওয়াইন সেলার বিশ্বের বৃহৎ ভূগর্ভস্থ ওয়াইন সেলারগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

মলদোভা—ইউরোপের শান্ত গ্রাম্য সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যের দেশ

আপডেট সময় ০৬:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পূর্ব ইউরোপের একটি ছোট স্থলবেষ্টিত দেশ মলদোভা। এর আয়তন প্রায় ৩৩ হাজার বর্গকিলোমিটার। রোমানিয়া ও ইউক্রেনের মাঝে অবস্থিত এই দেশটির রাজধানী কিশিনাউ—যা দেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

ইতিহাসের দিক থেকে মলদোভা বহুবার বিভিন্ন সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। একসময় এটি রুশ সাম্রাজ্য এবং পরে সোভিয়েত ইউনিয়ন-এর অংশ ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে।

রাজনৈতিকভাবে মলদোভা একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। তবে রাজনৈতিক বিভাজন এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ দেশটির উন্নয়নে প্রভাব ফেলে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার চেষ্টা চললেও দেশটিতে রাশিয়ার প্রভাবও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আরও পড়ুন  চীনে গেলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

মলদোভা তার কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি ও আঙুরক্ষেতের জন্য পরিচিত। বিশেষ করে ওয়াইন উৎপাদনে দেশটির দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। এখানকার বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ ও গ্রামীণ পরিবেশ দেশটিকে আলাদা সৌন্দর্য দিয়েছে।

নাগরিক জীবনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি হলেও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে চলে যায়।ধর্মীয়ভাবে অধিকাংশ মানুষ অর্থোডক্স খ্রিস্টান। ধর্মীয় ঐতিহ্য সমাজজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে মলদোভা তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত হলেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আঙুরবাগান, ঐতিহাসিক মঠ এবং শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ পর্যটকদের আকর্ষণ করে। বিশেষ করে ক্রিকোভা ওয়াইন সেলার বিশ্বের বৃহৎ ভূগর্ভস্থ ওয়াইন সেলারগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।