ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

তারেক রহমানসহ আটজন ঘুষ মামলায় পেলেন বেকসুর খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 375

ছবি: সংগৃহীত

 

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মো. আবু তাহের রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এই রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত সকল আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  ‘কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং ফল মানা হবে না’: মির্জা আব্বাস

খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন তারেক রহমানের এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু, ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, তার ছেলে সাফিয়াত সোবহান, সাদাত সোবহান এবং ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন করা হয়েছিল।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর এ বিষয়ে ঢাকার রমনা থানায় একটি দুর্নীতির মামলা করে। মামলায় তারেক রহমানসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে তদন্তের ভিত্তিতে ২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল দুদক আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ১৪ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বলেন, প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সকল আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো।

মামলার রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এ রায়কে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানসহ আটজন ঘুষ মামলায় পেলেন বেকসুর খালাস

আপডেট সময় ০৪:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মো. আবু তাহের রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এই রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত সকল আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূস, তারেক রহমানের অভিনন্দন

খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন তারেক রহমানের এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু, ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, তার ছেলে সাফিয়াত সোবহান, সাদাত সোবহান এবং ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন করা হয়েছিল।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর এ বিষয়ে ঢাকার রমনা থানায় একটি দুর্নীতির মামলা করে। মামলায় তারেক রহমানসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে তদন্তের ভিত্তিতে ২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল দুদক আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ১৪ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বলেন, প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সকল আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো।

মামলার রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এ রায়কে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে।