ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে উত্তাল উত্তরাঞ্চল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 531

ছবি: সংগৃহীত

 

তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হওয়ার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে উত্তরাঞ্চলের মানুষ। ভারতীয় পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলার লাখো মানুষ প্রতিবাদ জানিয়ে মশাল প্রজ্বলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১১টি স্থানে একযোগে মশাল প্রজ্বলন করা হয়। আন্দোলনকারীরা ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। বুধবার ভোরে ৪৮ ঘণ্টার লাগাতার কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটলেও আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  সংকট মোকাবিলায় সরকার সফল: মির্জা ফখরুল

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লালমনিরহাটের তিস্তা সেতু এলাকায় আন্দোলনের শেষ দিনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বলেন, “তিস্তা মহাপরিকল্পনার বিকল্প নেই। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তিস্তা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।” তিনি ভারতকে হুঁশিয়ার করে বলেন, “যদি তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত না হয়, তাহলে বাংলাদেশকেই বিকল্প পথ খুঁজে নিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলে তিস্তা ইস্যু জোরালোভাবে তুলে ধরতে হবে এবং বাংলাদেশকে ১৯৯২ সালের ওয়াটার কনভেনশন ও ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘ পানিপ্রবাহ কনভেনশনে স্বাক্ষর করা জরুরি।

তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, “তিস্তার পানি সংকট নিরসনে বিশ্বকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যদি ন্যায্য হিস্যা না পাই, তাহলে আগামীতে পুরো উত্তরাঞ্চল অচল করে দেওয়ার মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

এর আগে, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে তিস্তা রক্ষা আন্দোলন কমিটির নেতৃত্বে গণপদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। লালমনিরহাটের তিস্তা ব্রিজ থেকে শুরু হয়ে এই পদযাত্রা রংপুরের কাউনিয়া বাজারে গিয়ে শেষ হয়।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া তিস্তাপাড়ের মানুষ একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহারের মাধ্যমে তিস্তা নদীকে শুকিয়ে ফেলার জন্য ভারতকে দায়ী করে। তারা দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে উত্তাল উত্তরাঞ্চল

আপডেট সময় ১০:৪৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হওয়ার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে উত্তরাঞ্চলের মানুষ। ভারতীয় পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলার লাখো মানুষ প্রতিবাদ জানিয়ে মশাল প্রজ্বলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১১টি স্থানে একযোগে মশাল প্রজ্বলন করা হয়। আন্দোলনকারীরা ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। বুধবার ভোরে ৪৮ ঘণ্টার লাগাতার কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটলেও আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  বিএনপির সংবাদ সম্মেলন আজ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লালমনিরহাটের তিস্তা সেতু এলাকায় আন্দোলনের শেষ দিনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বলেন, “তিস্তা মহাপরিকল্পনার বিকল্প নেই। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তিস্তা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।” তিনি ভারতকে হুঁশিয়ার করে বলেন, “যদি তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত না হয়, তাহলে বাংলাদেশকেই বিকল্প পথ খুঁজে নিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলে তিস্তা ইস্যু জোরালোভাবে তুলে ধরতে হবে এবং বাংলাদেশকে ১৯৯২ সালের ওয়াটার কনভেনশন ও ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘ পানিপ্রবাহ কনভেনশনে স্বাক্ষর করা জরুরি।

তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, “তিস্তার পানি সংকট নিরসনে বিশ্বকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যদি ন্যায্য হিস্যা না পাই, তাহলে আগামীতে পুরো উত্তরাঞ্চল অচল করে দেওয়ার মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

এর আগে, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে তিস্তা রক্ষা আন্দোলন কমিটির নেতৃত্বে গণপদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। লালমনিরহাটের তিস্তা ব্রিজ থেকে শুরু হয়ে এই পদযাত্রা রংপুরের কাউনিয়া বাজারে গিয়ে শেষ হয়।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া তিস্তাপাড়ের মানুষ একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহারের মাধ্যমে তিস্তা নদীকে শুকিয়ে ফেলার জন্য ভারতকে দায়ী করে। তারা দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করার আহ্বান জানান।