ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুযোগ পেলেই আমরা ড. ইউনূসকে শূলে চড়াই, কঠোর সমালোচনার মুখে ফেলি : সারজিস আলম।

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫
  • / 112

ছবি: সংগৃহীত

 

জাতি প্রতিনিয়ত নানা মতামত এবং আলোচনা নিয়ে মুখর, বিশেষ করে যখন কথা আসে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। কখনও তাঁকে সমালোচনায় শাণিত করা হয়, কখনও বা তাঁর কাজের সাফল্যকে অবমূল্যায়ন করা হয়। তবে, ৭ মাসে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা এবং সংকটময় পরিস্থিতিতে তাঁর কার্যক্রমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোও জরুরি।

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ৬ মাসে দেশি-বিদেশি ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে ৬২ হাজার কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি শক্তিশালী মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত। রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে ১৮.৪৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪ বিলিয়ন বেশি। দেশে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলার।

আরও পড়ুন  সুইজারল্যান্ড সফর শেষে আজ দেশে ফিরছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

সারজিস আলম, জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, এক ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রমজানে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আশ্চর্যজনকভাবে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে। একাউন্ট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬৩৫ কোটি টাকা, এবং খাদ্যপণ্যে ভর্তুকি প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে।

অপরদিকে, মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে আনা, ধর্ষণের তদন্ত ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা, এবং সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর মতো পদক্ষেপগুলো সরকারের উন্নতির উদাহরণ। এই সরকারের কর্মক্ষমতা দেশের ভাবমূর্তি বিশ্বমঞ্চে আরও দৃঢ় করেছে, যেমন জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেসের বাংলাদেশ সফর তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে।

এদিকে, ড. ইউনূসও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং সমাজের সকল স্তরে সমতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে। তাঁর অবদান দেশের উন্নতির দিকে গুরুত্বপূর্ণ এক পদক্ষেপ।

ড. ইউনূস হয়তো অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেও, তার কাজের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা থাকা উচিত। তাঁর নেতৃত্বেই জাতি আগামী দিনে আরও উন্নতি সাধন করতে সক্ষম হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুযোগ পেলেই আমরা ড. ইউনূসকে শূলে চড়াই, কঠোর সমালোচনার মুখে ফেলি : সারজিস আলম।

আপডেট সময় ১১:২৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

 

জাতি প্রতিনিয়ত নানা মতামত এবং আলোচনা নিয়ে মুখর, বিশেষ করে যখন কথা আসে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। কখনও তাঁকে সমালোচনায় শাণিত করা হয়, কখনও বা তাঁর কাজের সাফল্যকে অবমূল্যায়ন করা হয়। তবে, ৭ মাসে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা এবং সংকটময় পরিস্থিতিতে তাঁর কার্যক্রমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোও জরুরি।

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ৬ মাসে দেশি-বিদেশি ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে ৬২ হাজার কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি শক্তিশালী মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত। রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে ১৮.৪৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪ বিলিয়ন বেশি। দেশে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলার।

আরও পড়ুন  বিদায়ী সাক্ষাতে সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

সারজিস আলম, জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, এক ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রমজানে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আশ্চর্যজনকভাবে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে। একাউন্ট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬৩৫ কোটি টাকা, এবং খাদ্যপণ্যে ভর্তুকি প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে।

অপরদিকে, মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে আনা, ধর্ষণের তদন্ত ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা, এবং সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর মতো পদক্ষেপগুলো সরকারের উন্নতির উদাহরণ। এই সরকারের কর্মক্ষমতা দেশের ভাবমূর্তি বিশ্বমঞ্চে আরও দৃঢ় করেছে, যেমন জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেসের বাংলাদেশ সফর তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে।

এদিকে, ড. ইউনূসও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং সমাজের সকল স্তরে সমতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে। তাঁর অবদান দেশের উন্নতির দিকে গুরুত্বপূর্ণ এক পদক্ষেপ।

ড. ইউনূস হয়তো অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেও, তার কাজের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা থাকা উচিত। তাঁর নেতৃত্বেই জাতি আগামী দিনে আরও উন্নতি সাধন করতে সক্ষম হবে।