ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের মুক্তির দাবিতে জামায়াতের গণঅবস্থান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৯:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 410

ছবি সংগৃহীত

 

 

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে দলটি গণঅবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালিত হবে।

আরও পড়ুন  জামায়াতের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে ইসি

শুক্রবার এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি থাকবেন দলের আমির শফিকুর রহমান। তিনি দেশবাসীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং আজহারের মুক্তির জন্য সরকারকে চাপ প্রয়োগের তাগিদ দেন।

জামায়াতের দাবি, এটিএম আজহারুল ইসলাম রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ১৩ বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দি। পরওয়ার বলেন, ‘‘ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর অনেক রাজনৈতিক বন্দি মুক্তি পেলেও আজহারুল ইসলাম এখনো কারাগারে, যা বিস্ময়কর।”

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এটিএম আজহারকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ২০১৯ সালে আপিল বিভাগও রায় বহাল রাখে। আদালতের রায়ে বলা হয়, ১৯৭১ সালে তিনি ইসলামী ছাত্র সংঘের রংপুর জেলা সভাপতি ছিলেন এবং তার নেতৃত্বে গণহত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

আজহারুল ইসলামের রায়ের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন ২০২০ সালের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগে করা হয়। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর গত ৯ জানুয়ারি সেই আবেদন আদালতে উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন আইনজীবী। আদালত প্রথমে ২৩ জানুয়ারি এবং পরে ২০ ফেব্রুয়ারি শুনানির দিন ধার্য করে। কিন্তু নির্ধারিত তারিখেও শুনানি হয়নি। পরবর্তী শুনানি আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জামায়াত মনে করে, নতুন সরকারের উচিত আজহারের মুক্তি নিশ্চিত করা। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এখন দেখার বিষয়, আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী আসে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এর কী প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারের মুক্তির দাবিতে জামায়াতের গণঅবস্থান

আপডেট সময় ১০:১৯:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

 

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে দলটি গণঅবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালিত হবে।

আরও পড়ুন  গোপালগঞ্জের প্রশাসনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর দাবি জামায়াত নেতা হাফিজের

শুক্রবার এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি থাকবেন দলের আমির শফিকুর রহমান। তিনি দেশবাসীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং আজহারের মুক্তির জন্য সরকারকে চাপ প্রয়োগের তাগিদ দেন।

জামায়াতের দাবি, এটিএম আজহারুল ইসলাম রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ১৩ বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দি। পরওয়ার বলেন, ‘‘ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর অনেক রাজনৈতিক বন্দি মুক্তি পেলেও আজহারুল ইসলাম এখনো কারাগারে, যা বিস্ময়কর।”

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এটিএম আজহারকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ২০১৯ সালে আপিল বিভাগও রায় বহাল রাখে। আদালতের রায়ে বলা হয়, ১৯৭১ সালে তিনি ইসলামী ছাত্র সংঘের রংপুর জেলা সভাপতি ছিলেন এবং তার নেতৃত্বে গণহত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

আজহারুল ইসলামের রায়ের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন ২০২০ সালের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগে করা হয়। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর গত ৯ জানুয়ারি সেই আবেদন আদালতে উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন আইনজীবী। আদালত প্রথমে ২৩ জানুয়ারি এবং পরে ২০ ফেব্রুয়ারি শুনানির দিন ধার্য করে। কিন্তু নির্ধারিত তারিখেও শুনানি হয়নি। পরবর্তী শুনানি আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জামায়াত মনে করে, নতুন সরকারের উচিত আজহারের মুক্তি নিশ্চিত করা। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এখন দেখার বিষয়, আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী আসে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এর কী প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।