ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

গোপালগঞ্জের প্রশাসনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর দাবি জামায়াত নেতা হাফিজের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / 596

ছবি: সংগৃহীত

 

লক্ষ্মীপুর, ১৬ জুলাই ২০২৫: জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্লাহ বলেছেন, গোপালগঞ্জে জাতীয় নেতাদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে গোপালগঞ্জের সকল প্রশাসনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাতে হবে। তিনি সরকারের প্রতি ফ্যাসিবাদী ও খুনি হাসিনার অনুগত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার করারও আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাদ মাগরিব জাতীয় সমাবেশের লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াত আয়োজিত স্বাগত মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং পরে উত্তর তেমুহনী এলাকায় গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

আরও পড়ুন  শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত

হাফিজ উল্লাহ আরও বলেন, “আপনারা একটি জেলা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। বলছেন আপনারা প্ল্যানিং করে, সবকিছু ঠিক করে ফেলেছেন ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করবেন। এটি সম্পূর্ণ অবাস্তব, অকাল্পনিক।” তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ দেশের মানুষ যদি সঠিকভাবে ভোট দিতে না পারে, তাহলে জামায়াত কোনো নির্বাচন হতে দেবে না। তার মতে, নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করেই নির্বাচন দিতে হবে।

লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমীর আবুল ফারাহ নিশানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির নজীর আহমেদ, শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য ফারুক হোসাইন নুরনবী, সহকারী সেক্রেটারি নাছির উদ্দিন মাহমুদ, মহসিন কবির মুরাদ, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মমিন উল্লাহ পাটওয়ারী, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি হারুনুর রশিদ, চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম খান সুমন এবং শহর শিবিরের সভাপতি ফয়েজ আহমেদ প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপালগঞ্জের প্রশাসনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর দাবি জামায়াত নেতা হাফিজের

আপডেট সময় ০৯:৫১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

 

লক্ষ্মীপুর, ১৬ জুলাই ২০২৫: জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্লাহ বলেছেন, গোপালগঞ্জে জাতীয় নেতাদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে গোপালগঞ্জের সকল প্রশাসনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাতে হবে। তিনি সরকারের প্রতি ফ্যাসিবাদী ও খুনি হাসিনার অনুগত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার করারও আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাদ মাগরিব জাতীয় সমাবেশের লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াত আয়োজিত স্বাগত মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং পরে উত্তর তেমুহনী এলাকায় গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

আরও পড়ুন  ভারতে ধর্মীয় টার্গেটিং বন্ধে জামায়াত আমিরের আহ্বান

হাফিজ উল্লাহ আরও বলেন, “আপনারা একটি জেলা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। বলছেন আপনারা প্ল্যানিং করে, সবকিছু ঠিক করে ফেলেছেন ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করবেন। এটি সম্পূর্ণ অবাস্তব, অকাল্পনিক।” তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ দেশের মানুষ যদি সঠিকভাবে ভোট দিতে না পারে, তাহলে জামায়াত কোনো নির্বাচন হতে দেবে না। তার মতে, নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করেই নির্বাচন দিতে হবে।

লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমীর আবুল ফারাহ নিশানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির নজীর আহমেদ, শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য ফারুক হোসাইন নুরনবী, সহকারী সেক্রেটারি নাছির উদ্দিন মাহমুদ, মহসিন কবির মুরাদ, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মমিন উল্লাহ পাটওয়ারী, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি হারুনুর রশিদ, চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম খান সুমন এবং শহর শিবিরের সভাপতি ফয়েজ আহমেদ প্রমুখ।