ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫০৫ ভোট পেয়ে জামানত হারালেন হান্নান মাসউদের বাবা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1482

ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে বিরল এক রাজনৈতিক ঘটনার জন্ম হয়েছে। একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ছেলের কাছে জামানত হারিয়েছেন বাবা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ ও তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক পৃথক দল থেকে নির্বাচনে অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, ছেলে বিপুল ভোটে জয়ী হলেও বাবা মাত্র ৫০৫ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  ভোটের দিন কোথায় থাকবেন এনসিপির শীর্ষ নেতারা

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এনসিপি মনোনীত শাপলা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসউদ পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট।

আসনের অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল আজিম পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৮৩ ভোট, ফুটবল প্রতীকের তানভীর উদ্দিন রাজিব ৩ হাজার ৭৬৪ ভোট, হাতপাখা প্রতীকের মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম শরীফ ২ হাজার ১৭৯ ভোট, তারা প্রতীকের মোহাম্মদ আবদুল মোতালেব ১ হাজার ২৩৯ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকের এটিএম নাবী উল্যাহ ২৮০ ভোট, ট্রাক প্রতীকের মোহাম্মদ আজহার উদ্দিন ১৯১ ভোট এবং ছাতা প্রতীকের মোহাম্মদ আবুল হোসেন পেয়েছেন ৮৬ ভোট।

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৪ জন। মোট প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৩২। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৫ হাজার ৩৬৭। ভোটদানের হার ৫১ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯২৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৫৩ হাজার ২৪৮টি।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও হাতিয়া উপজেলার ইউএনও মো. আলাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, শাপলা কলি ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ছাড়া আরও আটজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। হাতিয়ায় কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্বাচন-পরবর্তী কয়েকটি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া নানা দিক থেকে বঞ্চিত— সবাই মিলে এই জনপদকে আলোকিত করবে, এমনটাই প্রত্যাশা করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

৫০৫ ভোট পেয়ে জামানত হারালেন হান্নান মাসউদের বাবা

আপডেট সময় ০৫:০৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে বিরল এক রাজনৈতিক ঘটনার জন্ম হয়েছে। একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ছেলের কাছে জামানত হারিয়েছেন বাবা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ ও তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক পৃথক দল থেকে নির্বাচনে অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, ছেলে বিপুল ভোটে জয়ী হলেও বাবা মাত্র ৫০৫ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  রাকসু নির্বাচনে ‘সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ’ নামে প্যানেল ঘোষণা

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এনসিপি মনোনীত শাপলা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসউদ পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট।

আসনের অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল আজিম পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৮৩ ভোট, ফুটবল প্রতীকের তানভীর উদ্দিন রাজিব ৩ হাজার ৭৬৪ ভোট, হাতপাখা প্রতীকের মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম শরীফ ২ হাজার ১৭৯ ভোট, তারা প্রতীকের মোহাম্মদ আবদুল মোতালেব ১ হাজার ২৩৯ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকের এটিএম নাবী উল্যাহ ২৮০ ভোট, ট্রাক প্রতীকের মোহাম্মদ আজহার উদ্দিন ১৯১ ভোট এবং ছাতা প্রতীকের মোহাম্মদ আবুল হোসেন পেয়েছেন ৮৬ ভোট।

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৪ জন। মোট প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৩২। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৫ হাজার ৩৬৭। ভোটদানের হার ৫১ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯২৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৫৩ হাজার ২৪৮টি।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও হাতিয়া উপজেলার ইউএনও মো. আলাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, শাপলা কলি ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ছাড়া আরও আটজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। হাতিয়ায় কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্বাচন-পরবর্তী কয়েকটি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া নানা দিক থেকে বঞ্চিত— সবাই মিলে এই জনপদকে আলোকিত করবে, এমনটাই প্রত্যাশা করি।