ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

দুই বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপির ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা; সুবিধা নিতে চায় জামায়াত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 2819

ছবি সংগৃহীত

 

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটারদের বড় অংশ এখনো সিদ্ধান্তহীন। মাঠে একাধিক প্রার্থী থাকায় বিশেষ করে বিএনপির ভোট তিন ভাগে বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এই আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টিসহ মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, যার দুজন বিএনপির বিদ্রোহী। দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে দাঁড়ানোয় তাঁদের বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  মেহেরপুরে বিএনপি-জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির একাধিক প্রার্থী থাকায় দলটির ভোটব্যাংক ভাগ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে জামায়াতের প্রার্থী লাভবান হতে পারেন। যদিও সম্প্রতি জামায়াত হঠাৎ প্রার্থী পরিবর্তন করায় নতুন প্রার্থীকে নতুন করে মাঠে নামতে হচ্ছে।

জামায়াতের প্রার্থী মনজুর রহমান বলেন, বিএনপির তিনজন প্রার্থী থাকায় ভোট ভাগ হবে এবং এতে তাঁদের সুবিধা হবে বলে আশা করছেন তিনি।

অন্যদিকে, বিএনপির দলীয় প্রার্থী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, দলের নেতা-কর্মী ও ভোটাররা তাঁর সঙ্গেই আছেন এবং বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলের ভোটে বড় প্রভাব ফেলতে পারবেন না।

পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলায় বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয় প্রচার চালাচ্ছেন। স্থানীয় ভোটাররা প্রকাশ্যে মত জানাতে অনাগ্রহী হলেও ব্যক্তিগত প্রভাবের কারণে বিদ্রোহী প্রার্থীরা কিছু ভোট পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজশাহী-৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি। প্রবীণ ভোটারদের মতে, প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে। বিএনপির ভোট বিভক্ত হলে জামায়াত এগিয়ে যেতে পারে—শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা নির্ধারণ হবে ভোটের দিনই।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দুই বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপির ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা; সুবিধা নিতে চায় জামায়াত

আপডেট সময় ১০:২৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া–দুর্গাপুর) আসনে প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটারদের বড় অংশ এখনো সিদ্ধান্তহীন। মাঠে একাধিক প্রার্থী থাকায় বিশেষ করে বিএনপির ভোট তিন ভাগে বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এই আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টিসহ মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, যার দুজন বিএনপির বিদ্রোহী। দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে দাঁড়ানোয় তাঁদের বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নিবন্ধন ও প্রতীক ফেরত পেতে ইসির সঙ্গে আলোচনায় যাচ্ছে জামায়াত

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির একাধিক প্রার্থী থাকায় দলটির ভোটব্যাংক ভাগ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে জামায়াতের প্রার্থী লাভবান হতে পারেন। যদিও সম্প্রতি জামায়াত হঠাৎ প্রার্থী পরিবর্তন করায় নতুন প্রার্থীকে নতুন করে মাঠে নামতে হচ্ছে।

জামায়াতের প্রার্থী মনজুর রহমান বলেন, বিএনপির তিনজন প্রার্থী থাকায় ভোট ভাগ হবে এবং এতে তাঁদের সুবিধা হবে বলে আশা করছেন তিনি।

অন্যদিকে, বিএনপির দলীয় প্রার্থী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, দলের নেতা-কর্মী ও ভোটাররা তাঁর সঙ্গেই আছেন এবং বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলের ভোটে বড় প্রভাব ফেলতে পারবেন না।

পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলায় বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয় প্রচার চালাচ্ছেন। স্থানীয় ভোটাররা প্রকাশ্যে মত জানাতে অনাগ্রহী হলেও ব্যক্তিগত প্রভাবের কারণে বিদ্রোহী প্রার্থীরা কিছু ভোট পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজশাহী-৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি। প্রবীণ ভোটারদের মতে, প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোটের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে। বিএনপির ভোট বিভক্ত হলে জামায়াত এগিয়ে যেতে পারে—শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা নির্ধারণ হবে ভোটের দিনই।