ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করাও অপরাধের শামিল : অ্যাটর্নি জেনারেল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / 530

ছবি সংগৃহীত

 

 

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগকে কোনোভাবে সহযোগিতা করা অপরাধের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আরও পড়ুন  গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আবারও বাড়ল: প্রতিবেদন জমা হবে জুনে

শনিবার (৫ জুলাই) সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগকে ‘নিষিদ্ধ সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এই নিষিদ্ধ সত্তাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যারা সহযোগিতা করছে, তারাও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।”

রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভাজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নানা মতপার্থক্য থাকলেও দেশে ফ্যাসিস্ট শক্তির পুনরাবির্ভাবের কোনো আশঙ্কা নেই।

সংবিধান প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “সংবিধান নতুন করে লেখা যেতেই পারে। এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে আমাদের সংবিধান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত, ১৯৭২ সালের সংবিধান। আমি মনে করি, এটি এখনও বিশ্বের অন্যতম উৎকৃষ্ট সংবিধানগুলোর একটি। বিতর্কিত সংশোধনীগুলো বাদ দিয়ে এটিকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করা সম্ভব।”

এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, আসন্ন নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে কি না। জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এটি সরকারের নীতি-নির্ধারণী বিষয়, এ নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা সঙ্গত নয়।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। তাই আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কাউকে নির্বাচন থেকে বঞ্চিত করার কোনো ইচ্ছে সরকারের নেই।”

অ্যাটর্নি জেনারেল আশা প্রকাশ করেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দল ও প্রার্থীকে মূল্যায়ন করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যে রাজনৈতিক মাঠের উত্তাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

তবে সরকারপক্ষ জানিয়েছে, সবকিছুই সংবিধান ও আইনের আওতায় থেকে বিবেচনা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করাও অপরাধের শামিল : অ্যাটর্নি জেনারেল

আপডেট সময় ০২:৫৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

 

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগকে কোনোভাবে সহযোগিতা করা অপরাধের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আরও পড়ুন  নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিলেন নাহিদ ইসলাম

শনিবার (৫ জুলাই) সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগকে ‘নিষিদ্ধ সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এই নিষিদ্ধ সত্তাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যারা সহযোগিতা করছে, তারাও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।”

রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভাজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নানা মতপার্থক্য থাকলেও দেশে ফ্যাসিস্ট শক্তির পুনরাবির্ভাবের কোনো আশঙ্কা নেই।

সংবিধান প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “সংবিধান নতুন করে লেখা যেতেই পারে। এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে আমাদের সংবিধান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত, ১৯৭২ সালের সংবিধান। আমি মনে করি, এটি এখনও বিশ্বের অন্যতম উৎকৃষ্ট সংবিধানগুলোর একটি। বিতর্কিত সংশোধনীগুলো বাদ দিয়ে এটিকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করা সম্ভব।”

এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, আসন্ন নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে কি না। জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এটি সরকারের নীতি-নির্ধারণী বিষয়, এ নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা সঙ্গত নয়।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। তাই আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কাউকে নির্বাচন থেকে বঞ্চিত করার কোনো ইচ্ছে সরকারের নেই।”

অ্যাটর্নি জেনারেল আশা প্রকাশ করেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দল ও প্রার্থীকে মূল্যায়ন করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যে রাজনৈতিক মাঠের উত্তাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

তবে সরকারপক্ষ জানিয়েছে, সবকিছুই সংবিধান ও আইনের আওতায় থেকে বিবেচনা করা হবে।