ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
তথ্যমন্ত্রীর গ্ৰামের বাড়িতে ভাজা ইলিশ আর রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রবাসী কার্ড চালুর লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও জনতা ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন এখন দুই বছরে সৌদিতে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ঘুমের মধ্যে বিষধর সাপের ছোবল, সাপসহ হাসপাতালে নারী খুলনায় ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে মাকে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি এসএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১১ আগস্ট এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম প্রতিটি নাগরিককে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদের

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করাও অপরাধের শামিল : অ্যাটর্নি জেনারেল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / 585

ছবি সংগৃহীত

 

 

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগকে কোনোভাবে সহযোগিতা করা অপরাধের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আরও পড়ুন  ড. মাসুদ: দুপুরের মধ্যে আ. লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি

শনিবার (৫ জুলাই) সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগকে ‘নিষিদ্ধ সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এই নিষিদ্ধ সত্তাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যারা সহযোগিতা করছে, তারাও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।”

রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভাজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নানা মতপার্থক্য থাকলেও দেশে ফ্যাসিস্ট শক্তির পুনরাবির্ভাবের কোনো আশঙ্কা নেই।

সংবিধান প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “সংবিধান নতুন করে লেখা যেতেই পারে। এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে আমাদের সংবিধান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত, ১৯৭২ সালের সংবিধান। আমি মনে করি, এটি এখনও বিশ্বের অন্যতম উৎকৃষ্ট সংবিধানগুলোর একটি। বিতর্কিত সংশোধনীগুলো বাদ দিয়ে এটিকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করা সম্ভব।”

এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, আসন্ন নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে কি না। জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এটি সরকারের নীতি-নির্ধারণী বিষয়, এ নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা সঙ্গত নয়।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। তাই আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কাউকে নির্বাচন থেকে বঞ্চিত করার কোনো ইচ্ছে সরকারের নেই।”

অ্যাটর্নি জেনারেল আশা প্রকাশ করেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দল ও প্রার্থীকে মূল্যায়ন করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যে রাজনৈতিক মাঠের উত্তাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

তবে সরকারপক্ষ জানিয়েছে, সবকিছুই সংবিধান ও আইনের আওতায় থেকে বিবেচনা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করাও অপরাধের শামিল : অ্যাটর্নি জেনারেল

আপডেট সময় ০২:৫৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

 

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগকে কোনোভাবে সহযোগিতা করা অপরাধের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আরও পড়ুন  খুলনায় আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, পুলিশি নজরে নেতা-কর্মীরা

শনিবার (৫ জুলাই) সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগকে ‘নিষিদ্ধ সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এই নিষিদ্ধ সত্তাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যারা সহযোগিতা করছে, তারাও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।”

রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভাজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নানা মতপার্থক্য থাকলেও দেশে ফ্যাসিস্ট শক্তির পুনরাবির্ভাবের কোনো আশঙ্কা নেই।

সংবিধান প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “সংবিধান নতুন করে লেখা যেতেই পারে। এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে আমাদের সংবিধান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত, ১৯৭২ সালের সংবিধান। আমি মনে করি, এটি এখনও বিশ্বের অন্যতম উৎকৃষ্ট সংবিধানগুলোর একটি। বিতর্কিত সংশোধনীগুলো বাদ দিয়ে এটিকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করা সম্ভব।”

এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, আসন্ন নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে কি না। জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এটি সরকারের নীতি-নির্ধারণী বিষয়, এ নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা সঙ্গত নয়।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। তাই আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কাউকে নির্বাচন থেকে বঞ্চিত করার কোনো ইচ্ছে সরকারের নেই।”

অ্যাটর্নি জেনারেল আশা প্রকাশ করেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দল ও প্রার্থীকে মূল্যায়ন করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যে রাজনৈতিক মাঠের উত্তাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

তবে সরকারপক্ষ জানিয়েছে, সবকিছুই সংবিধান ও আইনের আওতায় থেকে বিবেচনা করা হবে।