ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আবারও বাড়ল: প্রতিবেদন জমা হবে জুনে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 211

ছবি: সংগৃহীত

 

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশনের মেয়াদ আরও তিন মাস বৃদ্ধি করেছে সরকার। এবার নতুন মেয়াদ অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের কমিশনকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

গতকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের স্বাক্ষরে প্রকাশিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘কমিশনস অব ইনকোয়্যারি অ্যাক্ট-১৯৫৬ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো। এ আদেশ ১৫ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।’

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট হতে পারে, কিন্তু সব নেতা খারাপ নন: চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহার

গত বছরের ২৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিশনটি গঠন করা হয়েছিল। কমিশনের অপর সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকারকর্মী নূর খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস এবং মানবাধিকারকর্মী সাজ্জাদ হোসেন।

প্রথমে এই কমিশনকে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা দেওয়া হয়। পরে সেই মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় সরকার ফের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দিল।

কমিশন সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০টি অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। কমিশন ইতোমধ্যে এর মধ্যে ৩৮৩টি অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই সম্পন্ন করেছে। যাচাইকৃত অভিযোগগুলোর মধ্যে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগই বেশি। কমিশনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ১৪০ জন সাক্ষীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, তারা নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে নির্যাতিত পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকবে বলে তারা আশাবাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন

গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আবারও বাড়ল: প্রতিবেদন জমা হবে জুনে

আপডেট সময় ১২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশনের মেয়াদ আরও তিন মাস বৃদ্ধি করেছে সরকার। এবার নতুন মেয়াদ অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের কমিশনকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

গতকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের স্বাক্ষরে প্রকাশিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘কমিশনস অব ইনকোয়্যারি অ্যাক্ট-১৯৫৬ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো। এ আদেশ ১৫ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।’

আরও পড়ুন  মন্ত্রিপরিষদের নতুন সচিব নাসিমুল গনি

গত বছরের ২৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিশনটি গঠন করা হয়েছিল। কমিশনের অপর সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকারকর্মী নূর খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস এবং মানবাধিকারকর্মী সাজ্জাদ হোসেন।

প্রথমে এই কমিশনকে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা দেওয়া হয়। পরে সেই মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় সরকার ফের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দিল।

কমিশন সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০টি অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। কমিশন ইতোমধ্যে এর মধ্যে ৩৮৩টি অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই সম্পন্ন করেছে। যাচাইকৃত অভিযোগগুলোর মধ্যে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগই বেশি। কমিশনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ১৪০ জন সাক্ষীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, তারা নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে নির্যাতিত পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকবে বলে তারা আশাবাদী।