ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
জাপানের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর অভিন্ন সমৃদ্ধিতে বিগ-বি জোরদার করছে বাংলাদেশ-জাপান বাংলাদেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে জোর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উগান্ডায় ৩৮ জনকে হত্যার অভিযোগে নরখাদক গ্রেপ্তার সুদানে ড্রোন হামলায় নিহত ২১, আহত ৪০ চীনে পাচারের ভয়ংকর ফাঁদ: রাজধানী থেকে ১২ পাহাড়ি নারী উদ্ধার রাশিয়ার অর্থায়নে পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণের প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি জাপানি বিনিয়োগে ২ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আবারও বাড়ল: প্রতিবেদন জমা হবে জুনে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 495

ছবি: সংগৃহীত

 

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশনের মেয়াদ আরও তিন মাস বৃদ্ধি করেছে সরকার। এবার নতুন মেয়াদ অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের কমিশনকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

গতকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের স্বাক্ষরে প্রকাশিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘কমিশনস অব ইনকোয়্যারি অ্যাক্ট-১৯৫৬ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো। এ আদেশ ১৫ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।’

আরও পড়ুন  বিএনপি অফিস ভাঙচুর: আওয়ামী লীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

গত বছরের ২৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিশনটি গঠন করা হয়েছিল। কমিশনের অপর সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকারকর্মী নূর খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস এবং মানবাধিকারকর্মী সাজ্জাদ হোসেন।

প্রথমে এই কমিশনকে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা দেওয়া হয়। পরে সেই মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় সরকার ফের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দিল।

কমিশন সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০টি অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। কমিশন ইতোমধ্যে এর মধ্যে ৩৮৩টি অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই সম্পন্ন করেছে। যাচাইকৃত অভিযোগগুলোর মধ্যে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগই বেশি। কমিশনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ১৪০ জন সাক্ষীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, তারা নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে নির্যাতিত পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকবে বলে তারা আশাবাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন

গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আবারও বাড়ল: প্রতিবেদন জমা হবে জুনে

আপডেট সময় ১২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশনের মেয়াদ আরও তিন মাস বৃদ্ধি করেছে সরকার। এবার নতুন মেয়াদ অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের কমিশনকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

গতকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের স্বাক্ষরে প্রকাশিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘কমিশনস অব ইনকোয়্যারি অ্যাক্ট-১৯৫৬ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো। এ আদেশ ১৫ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।’

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের নিবন্ধন নিয়ে সিদ্ধান্ত গেজেটের পরই: সিইসি

গত বছরের ২৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিশনটি গঠন করা হয়েছিল। কমিশনের অপর সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকারকর্মী নূর খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস এবং মানবাধিকারকর্মী সাজ্জাদ হোসেন।

প্রথমে এই কমিশনকে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা দেওয়া হয়। পরে সেই মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় সরকার ফের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দিল।

কমিশন সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০টি অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। কমিশন ইতোমধ্যে এর মধ্যে ৩৮৩টি অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই সম্পন্ন করেছে। যাচাইকৃত অভিযোগগুলোর মধ্যে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগই বেশি। কমিশনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ১৪০ জন সাক্ষীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, তারা নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে নির্যাতিত পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকবে বলে তারা আশাবাদী।