ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

বিচার ব্যবস্থাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে: জামায়াতে নায়েবে আমির

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 342

ছবি সংগৃহীত

 

 

বিচার ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি ঐকমত্য তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

আরও পড়ুন  আজ শনিবার বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধান উপদেষ্টা

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার নবম দিনের সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. তাহের বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি, অতীতে চিহ্নিত অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়েছেন। কিন্তু ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্ষমার ক্ষেত্রে যেন কোনো দাগি অপরাধী আইনের ফাঁক গলে ছাড়া না পান, সেটি কঠোরভাবে নজরদারি করা প্রয়োজন।”

তিনি আরও জানান, অপরাধীদের ক্ষমা সুপারিশ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মতামত নেওয়ার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হবে।

অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “ফ্যাসিস্টদের অবস্থান অক্ষুণ্ণ রেখে বিচার ব্যবস্থায় উচ্চ আদালত বা নিম্ন আদালতে কোনো সংস্কার আনা সম্ভব নয়।”

তিনি অভিযোগ করেন, বিচার বিভাগের ভেতর থেকে ফ্যাসিস্ট প্রভাব দূর করা না গেলে জনগণ কোনো সুফল ভোগ করতে পারবে না।

এছাড়া সংলাপে অংশ নেওয়া অন্যান্য নেতারাও বিচার বিভাগের কাঠামো আরও শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ করার ওপর জোর দিয়েছেন। তারা বলেছেন, জনগণের কাছে বিচার ব্যবস্থা বিশ্বাসযোগ্য করতে হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ দূর করতে হবে এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংলাপে প্রাপ্ত মতামতগুলো চূড়ান্ত আকারে সরকারের কাছে সুপারিশ আকারে পেশ করা হবে।

দ্বিতীয় দফার এই সংলাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। অংশগ্রহণকারীরা আশা করছেন, এই সংলাপের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ও টেকসই ন্যায়বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হবে, যা জনগণের আস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিচার ব্যবস্থাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে: জামায়াতে নায়েবে আমির

আপডেট সময় ০৭:৩২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

 

 

বিচার ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি ঐকমত্য তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

আরও পড়ুন  মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার নবম দিনের সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. তাহের বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি, অতীতে চিহ্নিত অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়েছেন। কিন্তু ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্ষমার ক্ষেত্রে যেন কোনো দাগি অপরাধী আইনের ফাঁক গলে ছাড়া না পান, সেটি কঠোরভাবে নজরদারি করা প্রয়োজন।”

তিনি আরও জানান, অপরাধীদের ক্ষমা সুপারিশ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মতামত নেওয়ার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হবে।

অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “ফ্যাসিস্টদের অবস্থান অক্ষুণ্ণ রেখে বিচার ব্যবস্থায় উচ্চ আদালত বা নিম্ন আদালতে কোনো সংস্কার আনা সম্ভব নয়।”

তিনি অভিযোগ করেন, বিচার বিভাগের ভেতর থেকে ফ্যাসিস্ট প্রভাব দূর করা না গেলে জনগণ কোনো সুফল ভোগ করতে পারবে না।

এছাড়া সংলাপে অংশ নেওয়া অন্যান্য নেতারাও বিচার বিভাগের কাঠামো আরও শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ করার ওপর জোর দিয়েছেন। তারা বলেছেন, জনগণের কাছে বিচার ব্যবস্থা বিশ্বাসযোগ্য করতে হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ দূর করতে হবে এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংলাপে প্রাপ্ত মতামতগুলো চূড়ান্ত আকারে সরকারের কাছে সুপারিশ আকারে পেশ করা হবে।

দ্বিতীয় দফার এই সংলাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। অংশগ্রহণকারীরা আশা করছেন, এই সংলাপের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ও টেকসই ন্যায়বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হবে, যা জনগণের আস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক হবে।