ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

শীর্ষ তিন সাবেক সিইসিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও প্রতারণার অভিযোগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 328

ছবি সংগৃহীত

 

সাবেক তিন নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) ২৪ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নতুন ধারায় মামলা গঠন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শেরেবাংলানগর থানার উপপরিদর্শক শামসুজ্জোহা সরকার দণ্ডবিধির ১২০ (ক), ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় অভিযোগ সংযুক্ত করার আবেদন করলে, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমানের আদালত তা মঞ্জুর করেন।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন

এর আগে গত ২২ জুন বিএনপির পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেনি। বরং ভয়ভীতি ও নির্যাতনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে তারা নির্বাচন সম্পন্ন করে।

মামলায় ২০১৪ সালের সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের সিইসি এ কে এম নূরুল হুদা এবং ২০২৪ সালের সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ মোট তিনজন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, এ কে এম শহীদুল হক, জাবেদ পাটোয়ারী, বেনজীর আহমেদ ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকেও আসামির তালিকায় রাখা হয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তিনটি নির্বাচনের সময় ‘গায়েবি মামলা’, ‘অপহরণ’, ‘গুম-খুন’ এবং ‘নির্যাতনের’ ভয় দেখিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার করা হয় এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়। নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হয়েও সংবিধান লঙ্ঘন করে, সরকারি কর্মচারী হয়েও অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ভুয়া বিজয় নিশ্চিত করে, যা আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

এই ঘটনার স্বাক্ষী হিসেবে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ ভোটার, যারা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বরত সদস্য, প্রিজাইডিং অফিসার এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের। মামলার তদন্তে ব্যালটপেপারে সিল ও স্বাক্ষর যাচাই, ভোট প্রদানকারী ও কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শীর্ষ তিন সাবেক সিইসিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও প্রতারণার অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

 

সাবেক তিন নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) ২৪ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নতুন ধারায় মামলা গঠন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শেরেবাংলানগর থানার উপপরিদর্শক শামসুজ্জোহা সরকার দণ্ডবিধির ১২০ (ক), ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় অভিযোগ সংযুক্ত করার আবেদন করলে, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমানের আদালত তা মঞ্জুর করেন।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনায় কমিশন: সিইসি

এর আগে গত ২২ জুন বিএনপির পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেনি। বরং ভয়ভীতি ও নির্যাতনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে তারা নির্বাচন সম্পন্ন করে।

মামলায় ২০১৪ সালের সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের সিইসি এ কে এম নূরুল হুদা এবং ২০২৪ সালের সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ মোট তিনজন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, এ কে এম শহীদুল হক, জাবেদ পাটোয়ারী, বেনজীর আহমেদ ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকেও আসামির তালিকায় রাখা হয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তিনটি নির্বাচনের সময় ‘গায়েবি মামলা’, ‘অপহরণ’, ‘গুম-খুন’ এবং ‘নির্যাতনের’ ভয় দেখিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার করা হয় এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়। নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হয়েও সংবিধান লঙ্ঘন করে, সরকারি কর্মচারী হয়েও অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ভুয়া বিজয় নিশ্চিত করে, যা আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

এই ঘটনার স্বাক্ষী হিসেবে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ ভোটার, যারা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বরত সদস্য, প্রিজাইডিং অফিসার এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের। মামলার তদন্তে ব্যালটপেপারে সিল ও স্বাক্ষর যাচাই, ভোট প্রদানকারী ও কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।