ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর রাখার পক্ষে জামায়াতে ইসলামী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 323

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবিত চার বছরের মেয়াদের প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছে।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর বৈঠকের এক পর্যায়ে দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এ কথা জানান।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

তিনি বলেন, “সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ চার বছর করার কথা বলা হয়েছে। আমরা এ প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করেছি। আমাদের মতামত, মেয়াদ পাঁচ বছরই থাকতে হবে।”

তবে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাবের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী একমত রয়েছে বলে জানান তিনি।

ডা. তাহের বলেন, “সংবিধান সংস্কারসহ পাঁচটি কমিশনের রিপোর্ট আলোচনা করা হচ্ছে। আমরা সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাব দিয়েই আলোচনা শুরু করেছি। আলোচনা ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হচ্ছে। অনেক বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে এবং কিছু বিষয়ে ঐকমত্যও হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আলোচনা আজই শেষ নাও হতে পারে। কারণ, বিষয়গুলো জাতীয় স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জামায়াতে ইসলামী একটি বড় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে সংস্কার প্রক্রিয়াকে বিবেচনা করছে। যেসব প্রস্তাব দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখবে, সেগুলোর প্রতি আমরা সমর্থন জানাচ্ছি। ব্যক্তি বা দল নয়, আমাদের কাছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, শান্তি ও সমৃদ্ধি-ই মুখ্য।”

বৈঠকটি সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার।

জামায়াত প্রতিনিধি দলে ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নুরুল ইসলাম বুলবুল, ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, সাইফুল আলম খান মিলন, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং আইনজীবী শিশির মনির।

বৈঠক শেষে বিকেল ৫টায় জামায়াত প্রতিনিধি দল প্রেস ব্রিফিং করবে বলে জানানো হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর রাখার পক্ষে জামায়াতে ইসলামী

আপডেট সময় ০৪:৪৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

 

জাতীয় সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবিত চার বছরের মেয়াদের প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছে।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর বৈঠকের এক পর্যায়ে দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এ কথা জানান।

আরও পড়ুন  ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ নিয়ে গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় সরকার; সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি বলেন, “সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে সংসদ ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ চার বছর করার কথা বলা হয়েছে। আমরা এ প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করেছি। আমাদের মতামত, মেয়াদ পাঁচ বছরই থাকতে হবে।”

তবে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাবের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী একমত রয়েছে বলে জানান তিনি।

ডা. তাহের বলেন, “সংবিধান সংস্কারসহ পাঁচটি কমিশনের রিপোর্ট আলোচনা করা হচ্ছে। আমরা সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাব দিয়েই আলোচনা শুরু করেছি। আলোচনা ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হচ্ছে। অনেক বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে এবং কিছু বিষয়ে ঐকমত্যও হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আলোচনা আজই শেষ নাও হতে পারে। কারণ, বিষয়গুলো জাতীয় স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জামায়াতে ইসলামী একটি বড় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে সংস্কার প্রক্রিয়াকে বিবেচনা করছে। যেসব প্রস্তাব দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখবে, সেগুলোর প্রতি আমরা সমর্থন জানাচ্ছি। ব্যক্তি বা দল নয়, আমাদের কাছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, শান্তি ও সমৃদ্ধি-ই মুখ্য।”

বৈঠকটি সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার।

জামায়াত প্রতিনিধি দলে ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নুরুল ইসলাম বুলবুল, ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, সাইফুল আলম খান মিলন, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং আইনজীবী শিশির মনির।

বৈঠক শেষে বিকেল ৫টায় জামায়াত প্রতিনিধি দল প্রেস ব্রিফিং করবে বলে জানানো হয়েছে।